দুই মাসে দুটি ওয়ানডে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। গত মাসে পাকিস্তানকে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে টাইগাররা। পাকিস্তানের পর নিউজিল্যান্ডকেও ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে একই ব্যবধানে হারাল বাংলাদেশ।
টানা দুই সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে; আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে আইসিসির ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে শীর্ষ ৮টি দলের মধ্যে থাকতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে বাছাইপর্বে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের ‘অঘোষিত ফাইনালে’ টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে নাজমুল হোসেন শান্তর (১০৬) সেঞ্চুরি আর লিটন দাসের (৭৬) ফিফটিতে ভর করে ৮ উইকেটে ২৬৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে বাংলাদেশ।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। ৮ রানের প্রথম উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয় ৫৪ রানে। দলীয় ৬১ রানে ফেরেন অধিনায়ক টম ল্যাথাম। দলীয় ১০৮ রানে ফিফটি হাঁকিয়ে ফেরেন ওপেনার নিক কেলি। নিয়িমিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে ৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানেই অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন ডেন ফক্সক্রফট। তিনি দলের পরাজয় নিশ্চিত জেনেও শেষ দিকে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউটের আগে ৭২ বলে ৭টি ছক্কার সাহায্যে ৭৫ রান করেন। ৫৯ রান করেন ওপেনার নিক কেলি। তার ইনিংসটি ৮০ বলে ৬টি চার আর একটি ছক্কায় সাজানো। বাংলাদেশ দলের হয়ে ৯ ওভারে মাত্র ৪৩ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুটি করে উইকেট নেন নাহিদ রানা ও মেহেদি হাসান মিরাজ।
৫৫ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করে মেহেদি হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
শান্তর সেঞ্চুরি, লিটনের ফিফটিতে ২৬৫ রান বাংলাদেশের
টানা দুই সিরিজ জয়ের মধ্য দিয়ে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জনের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে; আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে আইসিসির ওয়ানডে র্যাংকিংয়ে শীর্ষ ৮টি দলের মধ্যে থাকতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে বাছাইপর্বে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের ‘অঘোষিত ফাইনালে’ টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে নাজমুল হোসেন শান্তর (১০৬) সেঞ্চুরি আর লিটন দাসের (৭৬) ফিফটিতে ভর করে ৮ উইকেটে ২৬৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে বাংলাদেশ।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরুতেই উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। ৮ রানের প্রথম উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয় ৫৪ রানে। দলীয় ৬১ রানে ফেরেন অধিনায়ক টম ল্যাথাম। দলীয় ১০৮ রানে ফিফটি হাঁকিয়ে ফেরেন ওপেনার নিক কেলি। নিয়িমিত বিরতিতে উইকেট পতনের কারণে ৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানেই অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল।
দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন ডেন ফক্সক্রফট। তিনি দলের পরাজয় নিশ্চিত জেনেও শেষ দিকে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউটের আগে ৭২ বলে ৭টি ছক্কার সাহায্যে ৭৫ রান করেন। ৫৯ রান করেন ওপেনার নিক কেলি। তার ইনিংসটি ৮০ বলে ৬টি চার আর একটি ছক্কায় সাজানো। বাংলাদেশ দলের হয়ে ৯ ওভারে মাত্র ৪৩ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন মোস্তাফিজুর রহমান। দুটি করে উইকেট নেন নাহিদ রানা ও মেহেদি হাসান মিরাজ।
৫৫ রানের জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করে মেহেদি হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
শান্তর সেঞ্চুরি, লিটনের ফিফটিতে ২৬৫ রান বাংলাদেশের