দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।
এর আগে গত ৫ এপ্রিল ১৮টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। রাজধানী ঢাকায় এ কর্মসূচি শুরু হয় ১২ এপ্রিল।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সারদার মো. শাখাওয়াত হোসেন গত ১৭ এপ্রিল ঘোষণা দেন, দেশব্যাপী সম্প্রসারিত এই টিকাদান কর্মসূচি ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। তিনি বলেন, দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই এবং গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে নিশ্চিতভাবে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া শিশুদের মধ্যে আরও ১৮১টি সন্দেহজনক মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।
একই সময়ে সারা দেশে হামের ৩ হাজার ৪৪৩টি নিশ্চিত এবং ২৩ হাজার ৬০৬টি সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছে।
টিকা গ্রহণের যোগ্যতা সম্পর্কেও নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে অসুস্থ বা জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পর টিকা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া যারা প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছে, তাদের পরবর্তী ডোজ নিতে অন্তত চার সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগের বিস্তার ঠেকাতে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।
এর আগে গত ৫ এপ্রিল ১৮টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। রাজধানী ঢাকায় এ কর্মসূচি শুরু হয় ১২ এপ্রিল।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সারদার মো. শাখাওয়াত হোসেন গত ১৭ এপ্রিল ঘোষণা দেন, দেশব্যাপী সম্প্রসারিত এই টিকাদান কর্মসূচি ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। তিনি বলেন, দেশে টিকার কোনো ঘাটতি নেই এবং গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে নিশ্চিতভাবে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া শিশুদের মধ্যে আরও ১৮১টি সন্দেহজনক মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।
একই সময়ে সারা দেশে হামের ৩ হাজার ৪৪৩টি নিশ্চিত এবং ২৩ হাজার ৬০৬টি সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছে।
টিকা গ্রহণের যোগ্যতা সম্পর্কেও নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে অসুস্থ বা জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পর টিকা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া যারা প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছে, তাদের পরবর্তী ডোজ নিতে অন্তত চার সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ এবং রোগের বিস্তার ঠেকাতে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে