মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় নদীগর্ভে ৫০০ মিটার সড়ক বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি দীর্ঘ দিনেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে কালকিনি উপজেলার ফাসিয়াতলা-লক্ষীপুর-পখিরা সড়কে এই ভাংগন দেখা দেয়। এই সড়কের বেহাল দশা হলেও সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। পালরদী নদীর ভাঙনে পাকা সড়কটির বেশ কিছু জায়গায় ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় স্বাভাবিক যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষিজমির পাশ দিয়ে কোনোমতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে ইজিবাইক ও ভ্যানের মতো ছোট যানবাহন।
কালকিনি উপজেলার এনায়েতনগর, আলীনগর, বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের পাশাপাশি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তত ৮-১০ হাজার মানুষ এই সড়কটি দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন। ভাঙনের কারণে বিকল্প পথ ঘুরে যেতে হলে তাদের আরও প্রায় ৭ কিলোমিটার পথ বেশি পাড়ি দিতে হয়।
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে ভোগান্তির শেষ নেই। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে ক্ষতিগ্রস্ত এই ৫০০ মিটার সড়ক মেরামত করা না গেলে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে পালরদী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এর ফলেই নদীর পাড় ও সড়কে এই ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। দিনের বেলায় কোনোমতে চলাচল করা গেলেও সন্ধ্যা হলে বাড়ে আতঙ্ক। বালু উত্তোলন বন্ধ করা না গেলে ভাঙনের ভয়াবহতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা রহিম হওলাদার জানান, ‘নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এতে এলাকার লোকজন ও যাতায়াতকারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার। আমরা এই সমস্যার সমাধান চাই।’ ওই সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী আকলিমা বেগম বলেন,আমার ‘বাচ্চাকে নিয়ে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুলে যাই। আসা-যাওয়া করতে অনেক কষ্ট হয়। ভয় লাগে কখন আবার দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। সড়কটি দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন।’
ইজিবাইক চালক সিরাজ মুন্সী বলেন, ‘জমির পাশ দিয়ে কোনোমতে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে মহাবিপদে পড়তে হয়। কয়েকবার ইজিবাইক উল্টে গেছে। মাদারীপুরের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বাদল চন্দ্র কীর্তনিয়া জানান, ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে চিঠি দেওয়া হবে। তারা বেড়িবাঁধের কাজ করে দিলে পরবর্তী সময়ে নেওয়া হবে ব্যবস্থা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে কালকিনি উপজেলার ফাসিয়াতলা-লক্ষীপুর-পখিরা সড়কে এই ভাংগন দেখা দেয়। এই সড়কের বেহাল দশা হলেও সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। পালরদী নদীর ভাঙনে পাকা সড়কটির বেশ কিছু জায়গায় ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় স্বাভাবিক যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষিজমির পাশ দিয়ে কোনোমতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে ইজিবাইক ও ভ্যানের মতো ছোট যানবাহন।
কালকিনি উপজেলার এনায়েতনগর, আলীনগর, বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের পাশাপাশি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তত ৮-১০ হাজার মানুষ এই সড়কটি দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করেন। ভাঙনের কারণে বিকল্প পথ ঘুরে যেতে হলে তাদের আরও প্রায় ৭ কিলোমিটার পথ বেশি পাড়ি দিতে হয়।
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের নিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে ভোগান্তির শেষ নেই। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে ক্ষতিগ্রস্ত এই ৫০০ মিটার সড়ক মেরামত করা না গেলে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে পালরদী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এর ফলেই নদীর পাড় ও সড়কে এই ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। দিনের বেলায় কোনোমতে চলাচল করা গেলেও সন্ধ্যা হলে বাড়ে আতঙ্ক। বালু উত্তোলন বন্ধ করা না গেলে ভাঙনের ভয়াবহতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দা রহিম হওলাদার জানান, ‘নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এতে এলাকার লোকজন ও যাতায়াতকারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার। আমরা এই সমস্যার সমাধান চাই।’ ওই সড়ক দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী আকলিমা বেগম বলেন,আমার ‘বাচ্চাকে নিয়ে প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুলে যাই। আসা-যাওয়া করতে অনেক কষ্ট হয়। ভয় লাগে কখন আবার দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। সড়কটি দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন।’
ইজিবাইক চালক সিরাজ মুন্সী বলেন, ‘জমির পাশ দিয়ে কোনোমতে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে মহাবিপদে পড়তে হয়। কয়েকবার ইজিবাইক উল্টে গেছে। মাদারীপুরের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বাদল চন্দ্র কীর্তনিয়া জানান, ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে চিঠি দেওয়া হবে। তারা বেড়িবাঁধের কাজ করে দিলে পরবর্তী সময়ে নেওয়া হবে ব্যবস্থা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন