নোয়াখালীতে ১৫ মাস বয়সী শিশুকে ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে কক্সবাজারের দুই নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), র্যাব এবং ডিবির যৌথ দল।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জেলার মাইজদীর মেসার্স আবদুল হক ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন নোয়াখালী-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মানিকপুর এলাকার তানিয়া আক্তার (৩৩) এবং পশ্চিম গজালিয়া এলাকার জুলেখা (২২)।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে মোট ৩ হাজার ৭১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে তানিয়া আক্তারের কাছ থেকে ২ হাজার পিস এবং জুলেখার কাছ থেকে ১ হাজার ৭১৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এছাড়া একটি বাটন মোবাইল ও একটি স্মার্টফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালী জেলা কার্যালয়, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং র্যাব-৭, সিপিসি-১, ফেনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কক্সবাজার থেকে আসা সন্দেহভাজনদের অনুসরণ করে মাইজদী এলাকায় পৌঁছালে তাদের আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা নিজেদের পেশাদার ইয়াবা পাচারকারী হিসেবে স্বীকার করেছে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিতে পাচারের সময় ১৫ মাস বয়সী শিশুকে সঙ্গে রাখত। তারা এর আগেও একাধিকবার নোয়াখালীতে ইয়াবা সরবরাহ করেছে বলে জানায়। প্রতি চালানে তারা ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেত বলে স্বীকার করেছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় সুধারাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ধরনের অপরাধ অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। একটি নিষ্পাপ শিশুকে মাদক পাচারের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা শুধু আইনগতভাবে গুরুতর অপরাধই নয়, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও গভীরভাবে অমানবিক।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত এই সফল অভিযান প্রমাণ করে যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আশা করা যায়, এমন কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে সমাজ থেকে মাদক ব্যবসা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও নিরাপদ থাকবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জেলার মাইজদীর মেসার্স আবদুল হক ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন নোয়াখালী-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মানিকপুর এলাকার তানিয়া আক্তার (৩৩) এবং পশ্চিম গজালিয়া এলাকার জুলেখা (২২)।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে মোট ৩ হাজার ৭১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে তানিয়া আক্তারের কাছ থেকে ২ হাজার পিস এবং জুলেখার কাছ থেকে ১ হাজার ৭১৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। এছাড়া একটি বাটন মোবাইল ও একটি স্মার্টফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালী জেলা কার্যালয়, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) এবং র্যাব-৭, সিপিসি-১, ফেনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কক্সবাজার থেকে আসা সন্দেহভাজনদের অনুসরণ করে মাইজদী এলাকায় পৌঁছালে তাদের আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা নিজেদের পেশাদার ইয়াবা পাচারকারী হিসেবে স্বীকার করেছে। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিতে পাচারের সময় ১৫ মাস বয়সী শিশুকে সঙ্গে রাখত। তারা এর আগেও একাধিকবার নোয়াখালীতে ইয়াবা সরবরাহ করেছে বলে জানায়। প্রতি চালানে তারা ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেত বলে স্বীকার করেছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় সুধারাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ধরনের অপরাধ অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। একটি নিষ্পাপ শিশুকে মাদক পাচারের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা শুধু আইনগতভাবে গুরুতর অপরাধই নয়, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেও গভীরভাবে অমানবিক।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত এই সফল অভিযান প্রমাণ করে যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আশা করা যায়, এমন কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে সমাজ থেকে মাদক ব্যবসা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও নিরাপদ থাকবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন