ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় ইউরোপের বিমান চলাচল খাত গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরল বার্তা সংস্থা এপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে ইউরোপের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে অনেক ফ্লাইট বাতিল হতে পারে।
ফাতিহ বিরল সতর্ক করে বলেন, ইউরোপের হাতে বর্তমানে বড়জোর ছয় সপ্তাহের জেট ফুয়েল বা উড়োজাহাজের জ্বালানি অবশিষ্ট আছে। এর আগে ১ এপ্রিল এক পডকাস্টেও তিনি একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের শুরুর দিকে ইউরোপে জেট ফুয়েল ও ডিজেলের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে।
আইইএর প্রধানের মতে, হরমুজ প্রণালি যদি পুনরায় খুলে দেওয়া না হয়, তবে পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে। তিনি বলেন, ‘শিগগিরই আমাদের এমন খবর শুনতে হতে পারে যে জ্বালানির অভাবে এক শহর থেকে আরেক শহরে যাওয়ার ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়েছে।’
উড়োজাহাজের জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার সময়সীমা নিয়ে ফাতিহ বিরলের পূর্বাভাস অন্যান্য সংস্থার তুলনায় কিছুটা আশাব্যঞ্জক হলেও পরিস্থিতি মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। ৯ এপ্রিল ইউরোপীয় বিমানবন্দরগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা এসিআই ইউরোপ জানিয়েছিল, ইউরোপ এই ধরনের সংকট থেকে মাত্র তিন সপ্তাহ দূরে রয়েছে।
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি এর আকাশচুম্বী দামও বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জেট ফুয়েলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার কারণে অনেক এয়ারলাইনস ইতিমধ্যে তাদের কম লাভজনক রুটগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে থাকাকে একটি ‘ভয়াবহ পরিস্থিতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন আইইএর প্রধান। আশির দশকের বিখ্যাত ব্যান্ড দল ডায়ার স্ট্রেইটসের নামের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি এখন সত্যি এক ডায়ার স্ট্রেইট বা ভয়াবহ সংকটে পরিণত হয়েছে। এটি বিশ্ব অর্থনীতির ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। এই পরিস্থিতি যত দীর্ঘায়িত হবে, বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির অবস্থা তত বেশি শোচনীয় হবে।’
বিরল আরও বলেন, এই সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় পেট্রল বা গ্যাসোলিন, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং বিদ্যুতের দাম আকাশচুম্বী হতে পারে। প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের পাশে নিজ কার্যালয়ে বসে ফাতিহ বিরল বলেন, ‘আমরা এখন এমন এক জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি, যা অতীতে কখনো দেখা যায়নি।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
ফাতিহ বিরল সতর্ক করে বলেন, ইউরোপের হাতে বর্তমানে বড়জোর ছয় সপ্তাহের জেট ফুয়েল বা উড়োজাহাজের জ্বালানি অবশিষ্ট আছে। এর আগে ১ এপ্রিল এক পডকাস্টেও তিনি একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের শুরুর দিকে ইউরোপে জেট ফুয়েল ও ডিজেলের তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে।
আইইএর প্রধানের মতে, হরমুজ প্রণালি যদি পুনরায় খুলে দেওয়া না হয়, তবে পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে। তিনি বলেন, ‘শিগগিরই আমাদের এমন খবর শুনতে হতে পারে যে জ্বালানির অভাবে এক শহর থেকে আরেক শহরে যাওয়ার ফ্লাইটগুলো বাতিল করা হয়েছে।’
উড়োজাহাজের জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার সময়সীমা নিয়ে ফাতিহ বিরলের পূর্বাভাস অন্যান্য সংস্থার তুলনায় কিছুটা আশাব্যঞ্জক হলেও পরিস্থিতি মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। ৯ এপ্রিল ইউরোপীয় বিমানবন্দরগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা এসিআই ইউরোপ জানিয়েছিল, ইউরোপ এই ধরনের সংকট থেকে মাত্র তিন সপ্তাহ দূরে রয়েছে।
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি এর আকাশচুম্বী দামও বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জেট ফুয়েলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার কারণে অনেক এয়ারলাইনস ইতিমধ্যে তাদের কম লাভজনক রুটগুলোতে ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করে দিয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে থাকাকে একটি ‘ভয়াবহ পরিস্থিতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন আইইএর প্রধান। আশির দশকের বিখ্যাত ব্যান্ড দল ডায়ার স্ট্রেইটসের নামের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি এখন সত্যি এক ডায়ার স্ট্রেইট বা ভয়াবহ সংকটে পরিণত হয়েছে। এটি বিশ্ব অর্থনীতির ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। এই পরিস্থিতি যত দীর্ঘায়িত হবে, বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির অবস্থা তত বেশি শোচনীয় হবে।’
বিরল আরও বলেন, এই সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় পেট্রল বা গ্যাসোলিন, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং বিদ্যুতের দাম আকাশচুম্বী হতে পারে। প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের পাশে নিজ কার্যালয়ে বসে ফাতিহ বিরল বলেন, ‘আমরা এখন এমন এক জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি, যা অতীতে কখনো দেখা যায়নি।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে