বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের প্রকাশিত বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম। ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধটি লিখেছেন টাইমের সিঙ্গাপুর ব্যুরো অফিসের সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞ চার্লি ক্যাম্পবেল। তালিকাটি সাধারণত বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি হিসেবে প্রকাশ করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, তিনি কয়েক মাস আগেও লন্ডনের সবুজ-শ্যামল দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে নির্বাসিত অবস্থায় এক নিরুদ্বেগ জীবন কাটাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে কর্তৃত্ববাদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অপসারণের ঘটনা দৃশ্যপট বদলে দেয়। ৫৭ বছর বয়সী এই রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী বিরোধী আন্দোলনের কর্মী থেকে জাতীয় নেতৃত্বের জন্য অপেক্ষমাণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। এরপর ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভূমিধস জয় পান তারেক রহমান।
এই বিজয়ের অর্থ তারেক রহমান তার মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন। ঢাকায় ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পরেই তার মা মারা যান। জানুয়ারিতে টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়েও তারেক রহমানের শোক ছিল তাজা। তবে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে আবার সচল করতে সেই শোককে কাজে লাগাবেন।
প্রায় ১৭৫ মিলিয়ন মানুষের এই দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণদের বেকারত্ব ও আঞ্চলিক শক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি—এসব চ্যালেঞ্জ দ্রুত সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে অতীতের দুর্নীতির অভিযোগ (যেগুলো পরে আদালতে খারিজ হয়েছে) তাঁর নেতৃত্বের শুরুটা কিছুটা কঠিন করে তুলতে পারে বলেও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। তবু দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে দূরে থাকার পর তিনি আর সময় নষ্ট করতে চান না বলে জানান।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে—যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতে পারে।’
টাইম ম্যাগাজিনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও যুব বেকারত্বে জর্জরিত। আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ২০২৬ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে টাইম। ম্যাগাজিনে তারেক রহমানকে নিয়ে মুখবন্ধটি লিখেছেন টাইমের সিঙ্গাপুর ব্যুরো অফিসের সম্পাদক ও ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞ চার্লি ক্যাম্পবেল। তালিকাটি সাধারণত বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলা ব্যক্তিদের স্বীকৃতি হিসেবে প্রকাশ করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, তিনি কয়েক মাস আগেও লন্ডনের সবুজ-শ্যামল দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে নির্বাসিত অবস্থায় এক নিরুদ্বেগ জীবন কাটাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে কর্তৃত্ববাদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অপসারণের ঘটনা দৃশ্যপট বদলে দেয়। ৫৭ বছর বয়সী এই রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী বিরোধী আন্দোলনের কর্মী থেকে জাতীয় নেতৃত্বের জন্য অপেক্ষমাণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। এরপর ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভূমিধস জয় পান তারেক রহমান।
এই বিজয়ের অর্থ তারেক রহমান তার মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন। ঢাকায় ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পরেই তার মা মারা যান। জানুয়ারিতে টাইম ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময়েও তারেক রহমানের শোক ছিল তাজা। তবে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে আবার সচল করতে সেই শোককে কাজে লাগাবেন।
প্রায় ১৭৫ মিলিয়ন মানুষের এই দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণদের বেকারত্ব ও আঞ্চলিক শক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি—এসব চ্যালেঞ্জ দ্রুত সমাধানের প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে অতীতের দুর্নীতির অভিযোগ (যেগুলো পরে আদালতে খারিজ হয়েছে) তাঁর নেতৃত্বের শুরুটা কিছুটা কঠিন করে তুলতে পারে বলেও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। তবু দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে দূরে থাকার পর তিনি আর সময় নষ্ট করতে চান না বলে জানান।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে—যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতে পারে।’
টাইম ম্যাগাজিনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও যুব বেকারত্বে জর্জরিত। আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে