যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজেদের হেফাজতে রাখতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে রাশিয়া।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনায় এ প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। তবে এটি বাস্তবায়নে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এদিকে, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ইরানের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘বুশেহর’ থেকে প্রায় সব কর্মী সরিয়ে নিয়েছে রাশিয়া।
দেশটির পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ জানান, কেন্দ্রটিতে কর্মরত ১০৮ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে; বর্তমানে সেখানে শীর্ষ পর্যায়ের মাত্র ২০ জন কর্মকর্তা অবস্থান করছেন।
মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের জেরে সম্ভাব্য বিমান হামলার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
মস্কো সতর্ক করে বলেছে, বুশেহর কেন্দ্রের আশেপাশে হামলা হলে তা চের্নোবিল বিপর্যয়ের চেয়েও ভয়াবহ তেজস্ক্রিয়তা ও বিপর্যয়ের সৃষ্টি করতে পারে।
উল্লেখ্য, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত এই পারমাণবিক স্থাপনাটি ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি রিঅ্যাক্টর দ্বারা পরিচালিত। চলমান সংঘাতের মধ্যে ইতোমধ্যে কেন্দ্রটির আশেপাশে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এর আগে হওয়া এক হামলায় একজন নিরাপত্তারক্ষী নিহত হলেও স্থাপনাটির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।
সূত্র: ডন
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনায় এ প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। তবে এটি বাস্তবায়নে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এদিকে, নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ইরানের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘বুশেহর’ থেকে প্রায় সব কর্মী সরিয়ে নিয়েছে রাশিয়া।
দেশটির পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ জানান, কেন্দ্রটিতে কর্মরত ১০৮ জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে; বর্তমানে সেখানে শীর্ষ পর্যায়ের মাত্র ২০ জন কর্মকর্তা অবস্থান করছেন।
মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের জেরে সম্ভাব্য বিমান হামলার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
মস্কো সতর্ক করে বলেছে, বুশেহর কেন্দ্রের আশেপাশে হামলা হলে তা চের্নোবিল বিপর্যয়ের চেয়েও ভয়াবহ তেজস্ক্রিয়তা ও বিপর্যয়ের সৃষ্টি করতে পারে।
উল্লেখ্য, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত এই পারমাণবিক স্থাপনাটি ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি রিঅ্যাক্টর দ্বারা পরিচালিত। চলমান সংঘাতের মধ্যে ইতোমধ্যে কেন্দ্রটির আশেপাশে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এর আগে হওয়া এক হামলায় একজন নিরাপত্তারক্ষী নিহত হলেও স্থাপনাটির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)।
সূত্র: ডন
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে