বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম এক আয়োজন পহেলা বৈশাখে মেতেছে সারা দেশ। বৈশাখের আনন্দে সামিল হয়েছেন ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরাও। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রদূত অংশ নিয়েছেন বৈশাখী শোভাযাত্রায়। দেশি পোশাকে রঙের মেলায় মিশে গেছেন তারা। একই সঙ্গে প্রকাশ করছেন নববর্ষের উচ্ছাস।
ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন। সামাজিকমাধ্যমে নিজের ছবি পোস্ট করে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।
নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ। তিনি বাংলায় শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমি নতুন বছরে সবাইকে অনেক অনেক শুভকামনা জানাই।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, বাংলাদেশে এটি আমার প্রিয় উৎসবগুলোর একটি। বাংলা নববর্ষের প্রতীক হিসেবে সবাই যে উৎসব, সৃজনশীলতা উদযাপন করে তা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। সুন্দর রং, মোটিফ সবই বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক এবং এটি উৎসব এবং উদযাপনের জন্য মানুষকে একত্রিত করার ক্ষেত্রে সংস্কৃতি যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা দেখায়। এখানে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অনেক মিল যেখানে শিল্প এবং সৃজনশীলতা সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বলেন, আমি পহেলা বৈশাখ উদযাপনে আপনাদের সঙ্গে যোগ দিতে পেরে আনন্দিত। এটি সংস্কৃতি, নতুন সূচনা এবং আশার এক সুন্দর উৎসব।
এটি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং প্রাণবন্ত চেতনার প্রতিফলন। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণিল প্রস্তুতি দেখে আনন্দিত। ফ্রান্স বাংলাদেশের সঙ্গে তার বন্ধুত্বকে গভীরভাবে মূল্য দেয় এবং এটিকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করে। এই বিশেষ দিনে আমি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে বৈশাখী শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন। সামাজিকমাধ্যমে নিজের ছবি পোস্ট করে সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।
নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ। তিনি বাংলায় শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমি নতুন বছরে সবাইকে অনেক অনেক শুভকামনা জানাই।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, বাংলাদেশে এটি আমার প্রিয় উৎসবগুলোর একটি। বাংলা নববর্ষের প্রতীক হিসেবে সবাই যে উৎসব, সৃজনশীলতা উদযাপন করে তা আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। সুন্দর রং, মোটিফ সবই বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক এবং এটি উৎসব এবং উদযাপনের জন্য মানুষকে একত্রিত করার ক্ষেত্রে সংস্কৃতি যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা দেখায়। এখানে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অনেক মিল যেখানে শিল্প এবং সৃজনশীলতা সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শার্লে বলেন, আমি পহেলা বৈশাখ উদযাপনে আপনাদের সঙ্গে যোগ দিতে পেরে আনন্দিত। এটি সংস্কৃতি, নতুন সূচনা এবং আশার এক সুন্দর উৎসব।
এটি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য এবং প্রাণবন্ত চেতনার প্রতিফলন। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণিল প্রস্তুতি দেখে আনন্দিত। ফ্রান্স বাংলাদেশের সঙ্গে তার বন্ধুত্বকে গভীরভাবে মূল্য দেয় এবং এটিকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা করে। এই বিশেষ দিনে আমি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন