সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারলে বাংলাদেশের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আবারও দক্ষিণ এশিয়ায় সেরা দেশ হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াবে।’
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী চৈত্র সংক্রান্তি ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা, লোকশিল্প প্রদর্শনী ও বৈশাখী মেলা। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এই উৎসব চলবে আগামী ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত। অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে জাতীয় চিত্রশালা ভবনে লোকশিল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ।
পহেলা বৈশাখের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘পয়লা বৈশাখ মূলত কৃষকের সংস্কৃতি। এদেশের মানুষ আগে কখনই ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বিদেশে পাড়ি জমাত না; বরং বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটক ও মনীষীরা জ্ঞান আহরণে এ দেশে আসতেন। ঐতিহাসিক নানা কারণে আমরা পিছিয়ে পড়লেও যোগ্য নেতৃত্বে আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পাব।’
পরে একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। উৎসবে ঢাক-ঢোল, লাঠিখেলা, ঘুড়ি উড়ানো, জারি-সারি, পুঁথিপাঠ ও যাত্রাপালাসহ গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ স্থান পেয়েছে।
উদ্বোধনী আয়োজনে ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সমবেত অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ এবং ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর ধামাইল নাচ দর্শকদের মুগ্ধ করে। এছাড়াও ছিল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবেশনা ও সবশেষে শিল্পকলা একাডেমি রেপার্টরি যাত্রাদলের পরিবেশনায় জনপ্রিয় যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আবারও দক্ষিণ এশিয়ায় সেরা দেশ হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াবে।’
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী চৈত্র সংক্রান্তি ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা, লোকশিল্প প্রদর্শনী ও বৈশাখী মেলা। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত এই উৎসব চলবে আগামী ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত। অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে জাতীয় চিত্রশালা ভবনে লোকশিল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ।
পহেলা বৈশাখের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘পয়লা বৈশাখ মূলত কৃষকের সংস্কৃতি। এদেশের মানুষ আগে কখনই ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বিদেশে পাড়ি জমাত না; বরং বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটক ও মনীষীরা জ্ঞান আহরণে এ দেশে আসতেন। ঐতিহাসিক নানা কারণে আমরা পিছিয়ে পড়লেও যোগ্য নেতৃত্বে আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরে পাব।’
পরে একাডেমির উন্মুক্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। উৎসবে ঢাক-ঢোল, লাঠিখেলা, ঘুড়ি উড়ানো, জারি-সারি, পুঁথিপাঠ ও যাত্রাপালাসহ গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা অনুষঙ্গ স্থান পেয়েছে।
উদ্বোধনী আয়োজনে ৫০ জন যন্ত্রশিল্পীর সমবেত অর্কেস্ট্রা ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ এবং ৩০ জন নৃত্যশিল্পীর ধামাইল নাচ দর্শকদের মুগ্ধ করে। এছাড়াও ছিল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবেশনা ও সবশেষে শিল্পকলা একাডেমি রেপার্টরি যাত্রাদলের পরিবেশনায় জনপ্রিয় যাত্রাপালা ‘রহিম বাদশা রূপবান কন্যা’।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে