জুলাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সরকার পার পাবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট (আইইডিবি) মিলনায়তনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তব্যকালে এমন হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শুধু শিক্ষিত ছাত্র আর আমাদের মতো রাজনীতিবিদরা আন্দোলন করেনি, জীবন দেয়নি। ১৪শ’ শহিদের মধ্যে ৬২ ভাগই ছিল শ্রমিক। তারা আন্দোলনে নেমেছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, একটি পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। তারা ঘুণে ধরা রাজনীতির হাত বদলের জন্য জীবন দিতে রাস্তায় নামেনি।
তিনি বলেন, আজকের সরকার, সংসদ নেতা, বিরোধী দলীয় নেতা, চিফ হুইপ, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, সব সংসদ সদস্য সবাই আমরা জুলাইয়ের প্রোডাক্ট। জুলাই আছে বলেই সরকার আছে, বিরোধী দল আছে। জুলাই নেই তো কিছুই নেই। এই জুলাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সরকার পার পাবে না ইনশাআল্লাহ। গণভোটের গণরায়ের মাধ্যমেই জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ইনশাআল্লাহ বাস্তবায়ন হবে। এর জন্য প্রয়োজনে আবার জীবন দেবো।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সংসদে আমাদের কণ্ঠ দমিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সুযোগ পাই আর না পাই, আমরাও কণ্ঠ বন্ধ করিনি। আমরা সুবিধা নিতে সংসদে যায়নি। জনগণ আমাদের তাদের অধিকারের কথা বলতে সেখানে পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, সংসদে ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া দেখতে পাচ্ছি। সংসদে আমরা কারও জমিদারি মানবো না। আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে, এখন সফলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। হালুয়ারুটি ভাগের আন্দোলন নয়। দুষ্ট চক্র ভেঙে দিতে হবে। আগামীর আন্দোলনে সঙ্গে নয়, সামনে থাকবে ১১ দল।
এ সময় দেশের ব্যাংক খাতগুলো দলীয়করণের সমালোচনা করে ড. শফিকুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা চলছে, দলীয়করণ করলে ছাড় পাবে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শুধু শিক্ষিত ছাত্র আর আমাদের মতো রাজনীতিবিদরা আন্দোলন করেনি, জীবন দেয়নি। ১৪শ’ শহিদের মধ্যে ৬২ ভাগই ছিল শ্রমিক। তারা আন্দোলনে নেমেছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, একটি পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে। তারা ঘুণে ধরা রাজনীতির হাত বদলের জন্য জীবন দিতে রাস্তায় নামেনি।
তিনি বলেন, আজকের সরকার, সংসদ নেতা, বিরোধী দলীয় নেতা, চিফ হুইপ, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ, সব সংসদ সদস্য সবাই আমরা জুলাইয়ের প্রোডাক্ট। জুলাই আছে বলেই সরকার আছে, বিরোধী দল আছে। জুলাই নেই তো কিছুই নেই। এই জুলাইয়ের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সরকার পার পাবে না ইনশাআল্লাহ। গণভোটের গণরায়ের মাধ্যমেই জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ইনশাআল্লাহ বাস্তবায়ন হবে। এর জন্য প্রয়োজনে আবার জীবন দেবো।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, সংসদে আমাদের কণ্ঠ দমিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। সুযোগ পাই আর না পাই, আমরাও কণ্ঠ বন্ধ করিনি। আমরা সুবিধা নিতে সংসদে যায়নি। জনগণ আমাদের তাদের অধিকারের কথা বলতে সেখানে পাঠিয়েছে।
তিনি বলেন, সংসদে ফ্যাসিবাদের কালো ছায়া দেখতে পাচ্ছি। সংসদে আমরা কারও জমিদারি মানবো না। আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে, এখন সফলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। হালুয়ারুটি ভাগের আন্দোলন নয়। দুষ্ট চক্র ভেঙে দিতে হবে। আগামীর আন্দোলনে সঙ্গে নয়, সামনে থাকবে ১১ দল।
এ সময় দেশের ব্যাংক খাতগুলো দলীয়করণের সমালোচনা করে ড. শফিকুর রহমান বলেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা চলছে, দলীয়করণ করলে ছাড় পাবে না।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন