বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ বরণের সব প্রস্তুতি শেষ করে আনার তথ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত থেকে যানবাহন চলাচলে কড়াকাড়ি থাকবে।
আর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের যানবাহন চালানো যাবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর রোববার (১২ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’-এ প্রতিপাদ্যে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন হবে।
যে পথে শোভাযাত্রা
নববর্ষ বরণে যে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হবে তা বিশ্ববিদ্যায়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে সকাল ৯টায় বের হবে। শোভাযাত্রার প্রস্তুতি চলবে সকাল ৮টা থেকে।
বৈশাখী শোভাযাত্রা চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর (উত্তর) গেইট থেকে শুরু করে শাহবাগ থানার সামনে গিয়ে ‘ইউ-টার্ন’ নেবে। সেখান থেকে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে শোভাযাত্রা শেষ হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, “শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা শুধু নীলক্ষেত ও পলাশী মোড় দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। শোভাযাত্রা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রবেশ পথ ও সংলগ্ন সড়ক বন্ধ থাকবে। শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য রক্ষার্থে আশপাশ দিয়ে শোভাযাত্রায় প্রবেশ করা যাবে না।”
শেষ প্রান্ত দিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের নিজ নিজ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা অব্যাহত রেখে লোক-ঐতিহ্য ধারণ করে বড় পরিসরে এবং বৈচিত্র্যপূর্ণভাবে এবছরও শোভাযাত্রায় সর্বজনীন অংশগ্রহণের আয়োজন করা হয়েছে।
এবারের শোভাযাত্রায় পাঁচটি মোটিফ থাকবে। সেগুলো হল- মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। লোকজ প্রতীকের ধারায় এগুলো শক্তি, সৃজন, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার বহুমাত্রিক তাৎপর্য বহন করে। প্রতিটি মোটিফেই প্রতিফলিত হবে বাংলার লোক-ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চেতনার গভীর অনুষঙ্গ।
পাশাপাশি ৩৫ জন যন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং দেশাত্মবোধক সংগীত শোভাযাত্রার আবহকে আরও উদ্দীপনাময়, প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে। শোভাযাত্রায় ২০০ শিক্ষার্থী বাংলাদেশের পতাকা বহন করবেন বলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে।
ক্যাম্পাসে যা করা যাবে না
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “পহেলা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের মুখোশ পরা এবং ব্যাগ বহন করা যাবে না। তবে চারুকলা অনুষদের তৈরি করা মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করা যাবে।
“নববর্ষের শোভাযাত্রায় কোনো ধরনের ইংরেজি প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো এবং আতশবাজি পোড়ানো যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো ও বিক্রি করা থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”
এছাড়া বর্ষবরণ শোভাযাত্রা চলাকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশের জন্য ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনের রাজু ভাস্কর্যের পেছনের গেইট, চারুকলা অনুষদ সামনের ছবির হাটের গেইট এবং বাংলা একাডেমির সামনের রমনা কালী মন্দির সংলগ্ন গেইট বন্ধ থাকবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে।
যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে সকল ধরনের অনুষ্ঠান বিকাল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে। নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রবেশ করা যাবে। ৫টার পর কোনোভাবেই প্রবেশ করা যাবে না, শুধু বের হওয়া যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “আগামীকাল ১৩ এপ্রিল, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার পর ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না। নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের যানবাহন চালানো যাবে না এবং মোটরসাইকেল চালানো সম্পূর্ণ নিষেধ।
“বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসবাসরত কোনো ব্যক্তি নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র নীলক্ষেত মোড় সংলগ্ন গেইট ও পলাশী মোড় সংলগ্ন গেইট ব্যবহার করতে পারবেন।”
ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হেল্প ডেস্ক’, ‘কন্ট্রোল রুম এবং অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প থাকবে। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল মাঠ সংলগ্ন এলাকা, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকা, দোয়েল চত্বরের আশেপাশের এলাকা ও কার্জন হল এলাকায় ‘মোবাইল পাবলিক টয়লেট’ স্থাপন করা হবে।
নববর্ষ উপলক্ষ্যে নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, নববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে চৈত্র সংক্রান্তির বিকালে চারুকলা অনুষদে সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকবে, যা পুরাতন বছরের সমাপ্তি ও নতুন বছরের সূচনাকে প্রতিফলিত করবে।
এছাড়া সোমবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে। সেখানে লোকসংগীত, নৃত্য ও শিল্পচর্চার বিভিন্ন ধারার পরিবেশনা থাকবে। এছাড়া ১৫ ও ১৬ এপ্রিল বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং ‘প্রত্যয় বাংলাদেশ’-এর পরিবেশনায় ‘বাগদত্তা’ ও ‘দেবী সুলতানা’ শীর্ষক যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
আর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের যানবাহন চালানো যাবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর রোববার (১২ এপ্রিল) এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’-এ প্রতিপাদ্যে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন হবে।
যে পথে শোভাযাত্রা
নববর্ষ বরণে যে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ হবে তা বিশ্ববিদ্যায়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে সকাল ৯টায় বের হবে। শোভাযাত্রার প্রস্তুতি চলবে সকাল ৮টা থেকে।
বৈশাখী শোভাযাত্রা চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর (উত্তর) গেইট থেকে শুরু করে শাহবাগ থানার সামনে গিয়ে ‘ইউ-টার্ন’ নেবে। সেখান থেকে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে শোভাযাত্রা শেষ হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, “শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা শুধু নীলক্ষেত ও পলাশী মোড় দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। শোভাযাত্রা চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রবেশ পথ ও সংলগ্ন সড়ক বন্ধ থাকবে। শৃঙ্খলা ও সৌন্দর্য রক্ষার্থে আশপাশ দিয়ে শোভাযাত্রায় প্রবেশ করা যাবে না।”
শেষ প্রান্ত দিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তার স্বার্থে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের নিজ নিজ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, বিশ্ববিদ্যালয়টির ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা অব্যাহত রেখে লোক-ঐতিহ্য ধারণ করে বড় পরিসরে এবং বৈচিত্র্যপূর্ণভাবে এবছরও শোভাযাত্রায় সর্বজনীন অংশগ্রহণের আয়োজন করা হয়েছে।
এবারের শোভাযাত্রায় পাঁচটি মোটিফ থাকবে। সেগুলো হল- মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। লোকজ প্রতীকের ধারায় এগুলো শক্তি, সৃজন, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার বহুমাত্রিক তাৎপর্য বহন করে। প্রতিটি মোটিফেই প্রতিফলিত হবে বাংলার লোক-ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক চেতনার গভীর অনুষঙ্গ।
পাশাপাশি ৩৫ জন যন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’ এবং দেশাত্মবোধক সংগীত শোভাযাত্রার আবহকে আরও উদ্দীপনাময়, প্রাণবন্ত ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলবে। শোভাযাত্রায় ২০০ শিক্ষার্থী বাংলাদেশের পতাকা বহন করবেন বলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে।
ক্যাম্পাসে যা করা যাবে না
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “পহেলা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের মুখোশ পরা এবং ব্যাগ বহন করা যাবে না। তবে চারুকলা অনুষদের তৈরি করা মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করা যাবে।
“নববর্ষের শোভাযাত্রায় কোনো ধরনের ইংরেজি প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো এবং আতশবাজি পোড়ানো যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো ও বিক্রি করা থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”
এছাড়া বর্ষবরণ শোভাযাত্রা চলাকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশের জন্য ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সামনের রাজু ভাস্কর্যের পেছনের গেইট, চারুকলা অনুষদ সামনের ছবির হাটের গেইট এবং বাংলা একাডেমির সামনের রমনা কালী মন্দির সংলগ্ন গেইট বন্ধ থাকবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে।
যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে সকল ধরনের অনুষ্ঠান বিকাল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে। নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রবেশ করা যাবে। ৫টার পর কোনোভাবেই প্রবেশ করা যাবে না, শুধু বের হওয়া যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “আগামীকাল ১৩ এপ্রিল, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার পর ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না। নববর্ষের দিন ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের যানবাহন চালানো যাবে না এবং মোটরসাইকেল চালানো সম্পূর্ণ নিষেধ।
“বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসবাসরত কোনো ব্যক্তি নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র নীলক্ষেত মোড় সংলগ্ন গেইট ও পলাশী মোড় সংলগ্ন গেইট ব্যবহার করতে পারবেন।”
ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হেল্প ডেস্ক’, ‘কন্ট্রোল রুম এবং অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প থাকবে। হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল মাঠ সংলগ্ন এলাকা, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকা, দোয়েল চত্বরের আশেপাশের এলাকা ও কার্জন হল এলাকায় ‘মোবাইল পাবলিক টয়লেট’ স্থাপন করা হবে।
নববর্ষ উপলক্ষ্যে নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলেছে, নববর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে চৈত্র সংক্রান্তির বিকালে চারুকলা অনুষদে সাংস্কৃতিক আয়োজন থাকবে, যা পুরাতন বছরের সমাপ্তি ও নতুন বছরের সূচনাকে প্রতিফলিত করবে।
এছাড়া সোমবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে। সেখানে লোকসংগীত, নৃত্য ও শিল্পচর্চার বিভিন্ন ধারার পরিবেশনা থাকবে। এছাড়া ১৫ ও ১৬ এপ্রিল বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং ‘প্রত্যয় বাংলাদেশ’-এর পরিবেশনায় ‘বাগদত্তা’ ও ‘দেবী সুলতানা’ শীর্ষক যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে