ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছে তেহরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাকেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইসমাঈল বাকেই বলেন, পাকিস্তান সরকার ও জনগণ ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনার আয়োজন ও মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি এ জন্য পাকিস্তানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি জানান, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হরমুজ প্রণালি, পারমাণবিক ইস্যু, যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বাকেই বলেন, ইরান কূটনীতিকে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থাহীনতার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতার কারণে তেহরান ওয়াশিংটনের ওপর পুরোপুরি ভরসা করতে পারছে না।
তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় দুই পক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনা ও বার্তা বিনিময় হয়েছে। ইরানি প্রতিনিধিরা দেশের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আলোচনার সফলতা নির্ভর করছে অপর পক্ষের আন্তরিকতা, অতিরিক্ত দাবি থেকে বিরত থাকা এবং ইরানের বৈধ অধিকার মেনে নেওয়ার ওপর—এমন মন্তব্য করেন ইসমাঈল বাকেই। পাশাপাশি, কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসাও করেন তিনি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
রোববার (১২ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ইসমাঈল বাকেই বলেন, পাকিস্তান সরকার ও জনগণ ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনার আয়োজন ও মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি এ জন্য পাকিস্তানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি জানান, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে হরমুজ প্রণালি, পারমাণবিক ইস্যু, যুদ্ধ ক্ষতিপূরণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বাকেই বলেন, ইরান কূটনীতিকে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থাহীনতার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীত অভিজ্ঞতার কারণে তেহরান ওয়াশিংটনের ওপর পুরোপুরি ভরসা করতে পারছে না।
তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় দুই পক্ষের মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনা ও বার্তা বিনিময় হয়েছে। ইরানি প্রতিনিধিরা দেশের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আলোচনার সফলতা নির্ভর করছে অপর পক্ষের আন্তরিকতা, অতিরিক্ত দাবি থেকে বিরত থাকা এবং ইরানের বৈধ অধিকার মেনে নেওয়ার ওপর—এমন মন্তব্য করেন ইসমাঈল বাকেই। পাশাপাশি, কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসাও করেন তিনি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে