পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জ¦ালানি তেলের সরবরাহ গেল বছরের চেয়ে অন্তত পাঁচগুন বেশি থাকার পরও সংকট মহামারিতে পরিণত হয়েছে। এ নিয়ে সচেতনমহল নানা ধরনের শঙ্কার কথা জানালেন। একাধিকসূত্র নিশ্চিত করেছে প্রশাসনের মনিটরিং থাকা সত্বেও প্রভাবশালী একাধিক অসাধু চক্র বৈধ-অবৈধ পন্থায় চাহিদার চেয়ে বেশি জ্বালানি তেল সংগ্রহ করছে। করছে মজুদ।
এইসব জ¦ালানি তেল আবার রাতের আধারে দেড়গুন থেকে দুইগুন বেশি দামে বিক্রি করছে। একটি সিন্ডিকেট চক্র এ কাজ করছে। গত দুই দিন আগে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির দায়ে এক খুচরা বিক্রেতাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসব কারণে কৃত্রিম সংকট ক্রমশ বাড়ছে। পক্ষান্তরে সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। অবস্থা এমন হয়েছে যে, প্রতিদিন শেষে মধ্যরাতেও কলাপাড়া পৌরশহরের বিসমিল্লাহ ফিলিং স্টেশনসহ সবগুলো পাম্পে জ¦ালানি তেলের জন্য সাধারণ মানুষের দীর্ঘলাইন থাকছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনও এ নিয়ে নানা শঙ্কায় রয়েছেন। রয়েছেন উৎকন্ঠায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক বিসমিল্লাহ ফিলিং স্টেশনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, গত বছর (২০২৪) মার্চ মাসে এই ফিলিং স্টেশন থেকে মাত্র ১৬ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। নিত্যনৈমিত্তিক চাহিদা ছিল এমনটাই। চাহিদার ভিত্তিতে এই পরিমাণ ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। অথচ এই বছর মার্চ মাসে ৮২ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করার পরও মানুষের ব্যাপক চাহিদা ছিল। রেশনিং করে দেয়া হয় এই ৮২ হাজার লিটার ডিজেল। এছাড়া বিশেষ ব্যবস্থাপনায় জেলেদের আরো অন্তত ৫৪ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। বিষয়টি কৃত্রিম সংকট করা হচ্ছে বলে সচেতমহল দাবি করেছে। অনেকেই বলে আসছেন মনিটরিং যথাযথ হয় না।
ডিজেল অতিরিক্ত সংগ্রহ করে মজুদ করা হচ্ছে এমন একাধিক বিক্রেতার বিরুদ্ধে কমবেশি জনশ্রুতি রয়েছে। রয়েছে অভিযোগ। কারণ বাবলাতলা বাজারে, মহিপুর-আলীপুর বন্দরে কেরোসিন ও ডিজেলের চোরকারবারি রয়েছে এমন অভিযোগ উঠেছে কারও কারও বিরুদ্ধে। এমনকি সাগরের চোরাইপথে এসব আনা-নেয়ার দায় নিয়েও অনেকের নাম শোনা গেছে। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, তারা জ¦ালানি তেলের বাজার মনিটরিংয়ে তৎপর রয়েছেন। সংকট মোকাবেলায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে যথাযথ তদারকি অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এইসব জ¦ালানি তেল আবার রাতের আধারে দেড়গুন থেকে দুইগুন বেশি দামে বিক্রি করছে। একটি সিন্ডিকেট চক্র এ কাজ করছে। গত দুই দিন আগে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির দায়ে এক খুচরা বিক্রেতাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ত্রিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এসব কারণে কৃত্রিম সংকট ক্রমশ বাড়ছে। পক্ষান্তরে সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে। অবস্থা এমন হয়েছে যে, প্রতিদিন শেষে মধ্যরাতেও কলাপাড়া পৌরশহরের বিসমিল্লাহ ফিলিং স্টেশনসহ সবগুলো পাম্পে জ¦ালানি তেলের জন্য সাধারণ মানুষের দীর্ঘলাইন থাকছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনও এ নিয়ে নানা শঙ্কায় রয়েছেন। রয়েছেন উৎকন্ঠায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক বিসমিল্লাহ ফিলিং স্টেশনের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, গত বছর (২০২৪) মার্চ মাসে এই ফিলিং স্টেশন থেকে মাত্র ১৬ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। নিত্যনৈমিত্তিক চাহিদা ছিল এমনটাই। চাহিদার ভিত্তিতে এই পরিমাণ ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। অথচ এই বছর মার্চ মাসে ৮২ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করার পরও মানুষের ব্যাপক চাহিদা ছিল। রেশনিং করে দেয়া হয় এই ৮২ হাজার লিটার ডিজেল। এছাড়া বিশেষ ব্যবস্থাপনায় জেলেদের আরো অন্তত ৫৪ হাজার লিটার ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। বিষয়টি কৃত্রিম সংকট করা হচ্ছে বলে সচেতমহল দাবি করেছে। অনেকেই বলে আসছেন মনিটরিং যথাযথ হয় না।
ডিজেল অতিরিক্ত সংগ্রহ করে মজুদ করা হচ্ছে এমন একাধিক বিক্রেতার বিরুদ্ধে কমবেশি জনশ্রুতি রয়েছে। রয়েছে অভিযোগ। কারণ বাবলাতলা বাজারে, মহিপুর-আলীপুর বন্দরে কেরোসিন ও ডিজেলের চোরকারবারি রয়েছে এমন অভিযোগ উঠেছে কারও কারও বিরুদ্ধে। এমনকি সাগরের চোরাইপথে এসব আনা-নেয়ার দায় নিয়েও অনেকের নাম শোনা গেছে। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসীন সাদেক জানান, তারা জ¦ালানি তেলের বাজার মনিটরিংয়ে তৎপর রয়েছেন। সংকট মোকাবেলায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে যথাযথ তদারকি অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন