কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে 'পীর' শামীম রেজা জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এই হামলা ও হত্যার ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলেও দরবারের পোড়া ধ্বংসাবশেষ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে, এই হামলায় আহত ব্যক্তিরা চরম আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের ফিলিপনগর গ্রামে সরেজমিনে দেখা যায়, দরবারের দুটি আধাপাকা ভবন আগুনে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। ভেতরে ও আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ভাঙা আসবাবপত্র ও এসবের ধ্বংসাবশেষ। একটি ঘর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে।ঘটনাস্থলের সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
নিহত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরের বড় ভাই ফজলুর রহমান বলেন, ‘নিজের চোখের সামনে ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করতে দেখেছি। দরবারে হামলার সময় শতাধিক মানুষ ভাঙচুর চালায় এবং আমার ভাইকে দোতলা থেকে টেনে নিচে নামিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।’
ফজলুর রহমান আরও বলেন, যদি কোনো অপরাধ থেকেও থাকে, তার বিচার হওয়া উচিত ছিল। এভাবে একজন মানুষকে হত্যা করা যায় না।
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তৌহিদুল হাসান জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর শামীম রেজা চিকিৎসা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় আহতরা এখনো আতঙ্কের মধ্যে আছেন এবং গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে চাচ্ছেন না।
স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। ওই ভিডিওতে ধর্ম অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সকালে একদল লোক দরবারের কাছে জড়ো হয়ে পরে সেখানে হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা দরবারে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পীরকে হত্যা করে। হামলার সময় অন্তত পাঁচ থেকে সাতজন আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতের মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের কথা রয়েছে। পরিবার জানিয়েছে, জানাজা শেষে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
এই হামলা ও হত্যার ঘটনার একদিন পেরিয়ে গেলেও দরবারের পোড়া ধ্বংসাবশেষ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে, এই হামলায় আহত ব্যক্তিরা চরম আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের ফিলিপনগর গ্রামে সরেজমিনে দেখা যায়, দরবারের দুটি আধাপাকা ভবন আগুনে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। ভেতরে ও আশপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ভাঙা আসবাবপত্র ও এসবের ধ্বংসাবশেষ। একটি ঘর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে।ঘটনাস্থলের সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
নিহত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীরের বড় ভাই ফজলুর রহমান বলেন, ‘নিজের চোখের সামনে ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করতে দেখেছি। দরবারে হামলার সময় শতাধিক মানুষ ভাঙচুর চালায় এবং আমার ভাইকে দোতলা থেকে টেনে নিচে নামিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।’
ফজলুর রহমান আরও বলেন, যদি কোনো অপরাধ থেকেও থাকে, তার বিচার হওয়া উচিত ছিল। এভাবে একজন মানুষকে হত্যা করা যায় না।
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তৌহিদুল হাসান জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনার পর শামীম রেজা চিকিৎসা শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় আহতরা এখনো আতঙ্কের মধ্যে আছেন এবং গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে চাচ্ছেন না।
স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। ওই ভিডিওতে ধর্ম অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার সকালে একদল লোক দরবারের কাছে জড়ো হয়ে পরে সেখানে হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা দরবারে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পীরকে হত্যা করে। হামলার সময় অন্তত পাঁচ থেকে সাতজন আহত হন। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতের মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের কথা রয়েছে। পরিবার জানিয়েছে, জানাজা শেষে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে