মধ্যপ্রাচ্যের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে এক টেবিলে বসতে যাচ্ছে ইসরায়েল ও লেবানন। আগামী মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সদর দপ্তরে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় লেবাননের প্রেসিডেন্সি এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে জানানো হয়, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের বিশেষ উদ্যোগে এই বৈঠকের পথ প্রশস্ত হয়েছে। গত মার্চ মাসে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এটিই হবে দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম কোনো সরাসরি এবং আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
ওয়াশিংটনের এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপের ভিত্তি রচিত হয়েছে একটি ত্রিপক্ষীয় ফোনালাপের মাধ্যমে। জানা গেছে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াওয়াদ এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার সরাসরি কথা বলেছেন। এই প্রক্রিয়ায় অনুঘটক হিসেবে যুক্ত ছিলেন লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা।
ফোনালাপের সময় আগামী মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সদর দপ্তরে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসার বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্যে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে মূলত একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তি আলোচনার সময়সূচি চূড়ান্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার মাধ্যমে এই অস্থিরতার সূত্রপাত হয়। এর প্রতিবাদে এবং ইরানের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে গত ২ মার্চ ইসরায়েলে পাল্টা হামলা শুরু করে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। জবাবে লেবাননজুড়ে নির্বিচার বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।
বিগত কয়েক সপ্তাহের এই ভয়াবহ লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি লেবানিজ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। বিশেষ করে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) ইসরায়েলি বাহিনী মাত্র ১০ মিনিটে কয়েকশ বিমান হামলা চালিয়ে অন্তত তিন শতাধিক মানুষকে হত্যা করলে পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে যায়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় লেবাননের প্রেসিডেন্সি এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে জানানো হয়, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের বিশেষ উদ্যোগে এই বৈঠকের পথ প্রশস্ত হয়েছে। গত মার্চ মাসে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এটিই হবে দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম কোনো সরাসরি এবং আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ।
ওয়াশিংটনের এই গুরুত্বপূর্ণ সংলাপের ভিত্তি রচিত হয়েছে একটি ত্রিপক্ষীয় ফোনালাপের মাধ্যমে। জানা গেছে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াওয়াদ এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার সরাসরি কথা বলেছেন। এই প্রক্রিয়ায় অনুঘটক হিসেবে যুক্ত ছিলেন লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা।
ফোনালাপের সময় আগামী মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সদর দপ্তরে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসার বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্যে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে মূলত একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তি আলোচনার সময়সূচি চূড়ান্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার মাধ্যমে এই অস্থিরতার সূত্রপাত হয়। এর প্রতিবাদে এবং ইরানের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে গত ২ মার্চ ইসরায়েলে পাল্টা হামলা শুরু করে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। জবাবে লেবাননজুড়ে নির্বিচার বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।
বিগত কয়েক সপ্তাহের এই ভয়াবহ লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি লেবানিজ নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। বিশেষ করে গত বুধবার (৮ এপ্রিল) ইসরায়েলি বাহিনী মাত্র ১০ মিনিটে কয়েকশ বিমান হামলা চালিয়ে অন্তত তিন শতাধিক মানুষকে হত্যা করলে পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে যায়।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন