মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে ‘ধারাবাহিক বা ক্যাসকেডিং প্রভাব’ ফেলবে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অজয় বাঙ্গা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর যদি যুদ্ধবিরতি ব্যর্থ হয় এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে ক্ষতির মাত্রা আরও অনেক বেশি হবে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি ধরে নেওয়া হলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ০ দশমিক ৩ থেকে ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে যেতে পারে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এই ক্ষতি বেড়ে ১ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
এছাড়া মূল্যস্ফীতিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এটি ২০০ থেকে ৩০০ বেসিস পয়েন্ট বাড়তে পারে, আর খারাপ পরিস্থিতিতে তা প্রায় ০ দশমিক ৯ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জন্য উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৪ শতাংশ। দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত হলে এই হার কমে ২ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে।
অন্যদিকে, এসব দেশে মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে ৪ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা আগের পূর্বাভাস ছিল ৩ শতাংশ। চরম পরিস্থিতিতে এটি বেড়ে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
অজয় বাঙ্গা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর যদি যুদ্ধবিরতি ব্যর্থ হয় এবং সংঘাত দীর্ঘায়িত হয়, তাহলে ক্ষতির মাত্রা আরও অনেক বেশি হবে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি ধরে নেওয়া হলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ০ দশমিক ৩ থেকে ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে যেতে পারে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এই ক্ষতি বেড়ে ১ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
এছাড়া মূল্যস্ফীতিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে এটি ২০০ থেকে ৩০০ বেসিস পয়েন্ট বাড়তে পারে, আর খারাপ পরিস্থিতিতে তা প্রায় ০ দশমিক ৯ শতাংশ পয়েন্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জন্য উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৪ শতাংশ। দীর্ঘমেয়াদি সংঘাত হলে এই হার কমে ২ দশমিক ৬ শতাংশে নেমে আসতে পারে।
অন্যদিকে, এসব দেশে মূল্যস্ফীতি ২০২৬ সালে ৪ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা আগের পূর্বাভাস ছিল ৩ শতাংশ। চরম পরিস্থিতিতে এটি বেড়ে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন