একসঙ্গে ৫ সন্তান জন্ম দিয়েছেন গাজীপুরের কাপাসিয়ার এক গৃহবধূ। ৫ দিনের চিকিৎসা শেষে সবাইকে সুস্থ অবস্থায় নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের দিগাবো গ্রামের পুরো এলাকাবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত গৃহবধূ মাসুমা আক্তার (৩০)। ৫ নবজাতককে নিয়ে বাড়িতে ফেরায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
দিগাবো গ্রামের বাসিন্দা কাজল মিয়ার (৪৫) স্ত্রী মাসুমা।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৫ এপ্রিল প্রসব বেদনা নিয়ে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি) হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি ৫টি সন্তান জন্ম দেন। এর মধ্যে ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে। মা এবং নবজাতকরা সবাই বর্তমানে সুস্থ ও আশঙ্কামুক্ত।
চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানান, সাধারণত এসব ক্ষেত্রে শিশুদের ওজন অনেক কম থাকে এবং ঝুঁকি বেশি থাকে। কিন্তু এই পাঁচটি শিশুর সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজির মতো। প্রতিটি শিশুর ওজন গড়ে ১ কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে, যা এই পরিস্থিতিতে বেশ আশাব্যঞ্জক। বাংলাদেশে একসঙ্গে ৫টি সুস্থ শিশু জন্মের ঘটনা এর আগে দেখা যায়নি।
বিরল এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাজল মিয়ার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক জনতা। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ একনজর শিশুদের দেখার জন্য ছুটে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক ইতিবাচক আলোচনা চলছে। ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করলেও শিশুদের বাবা-মা বর্তমানে গণমাধ্যমের সামনে সরাসরি কোনো সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হননি। তারা এই মুহূর্তে সন্তানদের স্বাস্থ্য এবং পরিবারের গোপনীয়তা বজায় রাখাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের দিগাবো গ্রামের পুরো এলাকাবাসীর ভালোবাসায় সিক্ত গৃহবধূ মাসুমা আক্তার (৩০)। ৫ নবজাতককে নিয়ে বাড়িতে ফেরায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
দিগাবো গ্রামের বাসিন্দা কাজল মিয়ার (৪৫) স্ত্রী মাসুমা।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ৫ এপ্রিল প্রসব বেদনা নিয়ে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি) হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি ৫টি সন্তান জন্ম দেন। এর মধ্যে ৩ ছেলে ও ২ মেয়ে। মা এবং নবজাতকরা সবাই বর্তমানে সুস্থ ও আশঙ্কামুক্ত।
চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানান, সাধারণত এসব ক্ষেত্রে শিশুদের ওজন অনেক কম থাকে এবং ঝুঁকি বেশি থাকে। কিন্তু এই পাঁচটি শিশুর সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজির মতো। প্রতিটি শিশুর ওজন গড়ে ১ কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে, যা এই পরিস্থিতিতে বেশ আশাব্যঞ্জক। বাংলাদেশে একসঙ্গে ৫টি সুস্থ শিশু জন্মের ঘটনা এর আগে দেখা যায়নি।
বিরল এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাজল মিয়ার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক জনতা। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ একনজর শিশুদের দেখার জন্য ছুটে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক ইতিবাচক আলোচনা চলছে। ঘটনাটি দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করলেও শিশুদের বাবা-মা বর্তমানে গণমাধ্যমের সামনে সরাসরি কোনো সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হননি। তারা এই মুহূর্তে সন্তানদের স্বাস্থ্য এবং পরিবারের গোপনীয়তা বজায় রাখাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন