যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালিতে টোল আদায় করতে যাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (৬ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথটিতে টোল আদায় করতে হলে, পেন্টাগনকে হরমুজ প্রণালিতে সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সম্প্রতি ইরানের পার্লামেন্টে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল আদায়ে একটি বিল পাস হয়। তেহরানের এমন সিদ্ধান্ত মেনে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ওয়াশিংটন রাজি কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান নয় হরমুজ প্রণালি থেকে টোল আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় ইরান যুদ্ধে নিজেদের বিজয়ী বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেন, ইরান সামরিকভাবে যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ নিয়ে অনেকবার এ দাবি করেছেন তিনি। যদিও ট্রাম্পের এ দাবিকে অসত্য প্রমাণিত করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে টেকসই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে ইরান।
বিশ্ব তেল বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি, যা আরব উপসাগকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্ব তেল বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ ওমান ও ইরানের জলসীমায় অবস্থিত এ প্রণালি দিয়ে সম্পন্ন হতো। বর্তমানে প্রণালিটি দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থার চেয়ে ৯০ শতাংশ বাণিজ্য কম হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইরান।
ট্রাম্পের চূড়ান্ত আলটিমেটামের পর, এ মন্তব্য আসল। আলটিমেটাম অনুসারে হরমুজ প্রণালি খচলে দিতে ইরানকে দেওয়া সময় শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল)। এর মধ্যে প্রণালি চালু না হলে, বুধবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টার মধ্যে ইরানে নরক নেমে আসার হুমকি দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, দিনটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সেতু ও দালান ধ্বংসের দিন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
সম্প্রতি ইরানের পার্লামেন্টে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল আদায়ে একটি বিল পাস হয়। তেহরানের এমন সিদ্ধান্ত মেনে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ওয়াশিংটন রাজি কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান নয় হরমুজ প্রণালি থেকে টোল আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় ইরান যুদ্ধে নিজেদের বিজয়ী বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প বলেন, ইরান সামরিকভাবে যুদ্ধে পরাজিত হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ নিয়ে অনেকবার এ দাবি করেছেন তিনি। যদিও ট্রাম্পের এ দাবিকে অসত্য প্রমাণিত করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে টেকসই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে ইরান।
বিশ্ব তেল বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি, যা আরব উপসাগকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্ব তেল বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ ওমান ও ইরানের জলসীমায় অবস্থিত এ প্রণালি দিয়ে সম্পন্ন হতো। বর্তমানে প্রণালিটি দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থার চেয়ে ৯০ শতাংশ বাণিজ্য কম হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইরান।
ট্রাম্পের চূড়ান্ত আলটিমেটামের পর, এ মন্তব্য আসল। আলটিমেটাম অনুসারে হরমুজ প্রণালি খচলে দিতে ইরানকে দেওয়া সময় শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল)। এর মধ্যে প্রণালি চালু না হলে, বুধবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টার মধ্যে ইরানে নরক নেমে আসার হুমকি দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, দিনটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সেতু ও দালান ধ্বংসের দিন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে