দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় শুক্রবার (৩ এপ্রিল) প্রকাশিত “বিটিভির ডিজিটাল সম্প্রচার শিখতে তিন দেশে যাচ্ছেন ২১ কর্মকর্তা” শীর্ষক সংবাদের ভাষ্য অসত্য, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকৃতপক্ষে, সংবাদে উল্লিখিত প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের সব কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর ১৬টি কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রে অত্যাধুনিক সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপন করার কার্যক্রম চলমান।
প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের সময়েই প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিচালনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও Pre-shipment Inspection কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে যন্ত্রপাতি ক্রয় থেকে শুরু করে, সরবরাহ এবং পরিচালনা পর্যন্ত স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
প্রশিক্ষণ ও Pre-shipment Inspection সংক্রান্ত ব্যয় ডিপিপির মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর সাথে সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই। সংশ্লিষ্ট শর্তানুযায়ী, এসব কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে অর্থ কর্তনযোগ্য; এবং এ অর্থ ফেরত পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে উল্লিখিত সফরে বাংলাদেশ সরকারের কোনো অর্থ ব্যয় হবে না।
উল্লেখ্য, প্রকল্পের ৮০ শতাংশ ভৌত কাজ এবং ৯৫ শতাংশ আর্থিক ব্যয় ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সংবাদে প্রকল্পটি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গৃহীত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, পতিত সরকারের আমলে গৃহীত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই বাদ দিয়েছে।
জনমনে বিভ্রান্তি এড়ানোর লক্ষ্যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকাকে বস্তুনিষ্ঠ ও যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ পরিবেশনের জন্য অনুরোধ জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকৃতপক্ষে, সংবাদে উল্লিখিত প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের সব কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশন-এর ১৬টি কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রে অত্যাধুনিক সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপন করার কার্যক্রম চলমান।
প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের সময়েই প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিচালনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও Pre-shipment Inspection কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে যন্ত্রপাতি ক্রয় থেকে শুরু করে, সরবরাহ এবং পরিচালনা পর্যন্ত স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
প্রশিক্ষণ ও Pre-shipment Inspection সংক্রান্ত ব্যয় ডিপিপির মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর সাথে সরকারের কোনো আর্থিক সংশ্লেষ নেই। সংশ্লিষ্ট শর্তানুযায়ী, এসব কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে অর্থ কর্তনযোগ্য; এবং এ অর্থ ফেরত পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে উল্লিখিত সফরে বাংলাদেশ সরকারের কোনো অর্থ ব্যয় হবে না।
উল্লেখ্য, প্রকল্পের ৮০ শতাংশ ভৌত কাজ এবং ৯৫ শতাংশ আর্থিক ব্যয় ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সংবাদে প্রকল্পটি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গৃহীত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, পতিত সরকারের আমলে গৃহীত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই বাদ দিয়েছে।
জনমনে বিভ্রান্তি এড়ানোর লক্ষ্যে ‘আমার দেশ’ পত্রিকাকে বস্তুনিষ্ঠ ও যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ পরিবেশনের জন্য অনুরোধ জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে