জ্বালানি তেল নিয়ে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অস্থিরতা চলছে। যানবাহনের দীর্ঘ লাইন ও জটলায় মারামারিও হচ্ছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামেগঞ্জেও একই চিত্র। ডিজেল সংকটের কারণে হতাশায় পড়েছেন জেলেরাও। তাই ১০ দিন আগেই বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন সুন্দরবনঘেঁষা দুবলা শুঁটকি পল্লির জেলেরা। খুলনার উপকূলীয় জেলেরাও ডিজেল না পেয়ে নদী ও সুন্দরবনে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না।
জেলে মোতাসিম ফরাজী বলেন, ডিজেল ছাড়া নদীতে মাছ শিকারে যাওয়া ঝুঁকির। খাবার না নিলেও তেলের মজুত নিয়েই বের হতে হয়। না খেয়ে কাজ করা গেলেও তেল ছাড়া চলাচল করা যায় না। পাইকগাছা উপজেলার হিতামপুরের জেলে পরিতোষ কুমার বলেন, স্থানীয়ভাবে বাড়তি দামে ডিজেল কিনতে চাইলেও চাহিদা মতো মিলছে না। ফলে তেলের জোগান না হলে মাছ শিকারে সুন্দরবন যাওয়া যাচ্ছে না। তাই এলাকাতেই অলস সময় কাটাতে হচ্ছে।
দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, দুবলা শুঁটকি পল্লিতে ১২০০ ট্রলার রয়েছে। প্রতিটি ট্রলারে দৈনিক ৩০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন। কিন্তু তেল পাওয়া যায় না। ফলে এবারের মৌসুমের শেষ গোন ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান। ফলে এ গোন শেষ না করেই জেলেরা পল্লি ছাড়তে শুরু করেছেন। মজুত তেল দিয়েই জেলেরা নিরাপদে বাড়ি ফিরতে চান। সাগরে সময় কাটালে বাড়ি ফেরার তেল ফুরিয়ে যেতে পারে। তাই আগেভাগেই জেলেরা ফিরছেন।তিনি বলেন, জেলেদের ২০ শতাংশ এবার লাভবান হয়েছেন। বাকিরা কোনোরকমে খরচ তুলতে পেরেছেন। বন বিভাগ রাজস্ব আয়ের সাড়ে ৭ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু পল্লিতে জেলেদের সেবার মানের উন্নতি হয়নি মোটেও। এবার সাপে কাটেনি, প্রাকৃতিক কোনও দুর্যোগও হয়নি। তাই জেলেদের ক্ষতি তেমন হয়নি। কিন্তু বয়সজনিত সমস্যা ও হার্ট এটাকে ১৫ জেলের মৃত্যু হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জেলে মোতাসিম ফরাজী বলেন, ডিজেল ছাড়া নদীতে মাছ শিকারে যাওয়া ঝুঁকির। খাবার না নিলেও তেলের মজুত নিয়েই বের হতে হয়। না খেয়ে কাজ করা গেলেও তেল ছাড়া চলাচল করা যায় না। পাইকগাছা উপজেলার হিতামপুরের জেলে পরিতোষ কুমার বলেন, স্থানীয়ভাবে বাড়তি দামে ডিজেল কিনতে চাইলেও চাহিদা মতো মিলছে না। ফলে তেলের জোগান না হলে মাছ শিকারে সুন্দরবন যাওয়া যাচ্ছে না। তাই এলাকাতেই অলস সময় কাটাতে হচ্ছে।
দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, দুবলা শুঁটকি পল্লিতে ১২০০ ট্রলার রয়েছে। প্রতিটি ট্রলারে দৈনিক ৩০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন। কিন্তু তেল পাওয়া যায় না। ফলে এবারের মৌসুমের শেষ গোন ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান। ফলে এ গোন শেষ না করেই জেলেরা পল্লি ছাড়তে শুরু করেছেন। মজুত তেল দিয়েই জেলেরা নিরাপদে বাড়ি ফিরতে চান। সাগরে সময় কাটালে বাড়ি ফেরার তেল ফুরিয়ে যেতে পারে। তাই আগেভাগেই জেলেরা ফিরছেন।তিনি বলেন, জেলেদের ২০ শতাংশ এবার লাভবান হয়েছেন। বাকিরা কোনোরকমে খরচ তুলতে পেরেছেন। বন বিভাগ রাজস্ব আয়ের সাড়ে ৭ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু পল্লিতে জেলেদের সেবার মানের উন্নতি হয়নি মোটেও। এবার সাপে কাটেনি, প্রাকৃতিক কোনও দুর্যোগও হয়নি। তাই জেলেদের ক্ষতি তেমন হয়নি। কিন্তু বয়সজনিত সমস্যা ও হার্ট এটাকে ১৫ জেলের মৃত্যু হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন