চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার বদরপুর গ্রামে শুরু হওয়া সোলায়মান লেংটার মেলায় মাদক কেনাবেচা, সেবন ও অশ্লীল নৃত্যের আসর বসানোর অভিযোগে মেলা বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
মতলব উত্তর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় সাত দিনব্যাপী সোলায়মান লেংটার মেলার কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ছে।
এদিকে বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল মেলা প্রাঙ্গণে মাইকে ঘোষণা করেন যে, প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় মাগরিব নামাজের পর মেলাটি বন্ধ করা হলো।
বুধবার রাতে ওই মেলা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, লক্ষাধিক মানুষের ভিড়। কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলছে মেলার নানা কার্যক্রম। বিভিন্ন জিনিসের পসরা সাজিয়ে বেচা বিক্রি চলছে। মাজার এলাকায় আশেকান-ভক্তের উপচে পড়া ভিড়। মাজারের পশ্চিম দিকে পুকুরের পাড়ে, পুকুর সংলগ্ন বাগানে ও বেড়িবাঁধ এলাকায় বসেছে গাঁজা-মদ সেবন ও বিক্রির জমজমাট আসর। মেলা বন্ধ ঘোষণা করা হলেও আগের মতোই কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বদরপুর এলাকায় পীর ও সাধক হজরত শাহ সুফি সোলায়মান (রহ.) ওরফে ‘লেংটা বাবা’ বাংলা ১৩২৫ সালের চৈত্র মাসে মারা যান। এরপর প্রতিবছর তার মাজার এলাকায় চৈত্র মাসের ১৭ তারিখে মেলা ও বার্ষিক ওরসের আয়োজন করেন। স্থানীয়ভাবে মেলাটি ‘লেংটার মেলা’ নামে পরিচিত। অন্যান্য বছরের হিসেব অনুযায়ী ৭ দিনের এই মেলায় ১৫ লাখের বেশি লোকের সমাগম হতো। এবছর মেলায় অন্তত ২ সহস্রাধিক গাঁজার দোকান ও অর্ধশতাধিক নারীদের অশ্লীল নৃত্যের জমজমাট বসেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বদরপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তিরা অভিযোগ করে বলেন, লেংটার মেলার নামে এখানে যেভাবে দিনে–রাতে মাদক ও অশ্লীল নাচগানের আসর বসছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। মেলা এলাকার দুই শতাধিক স্থানে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের জমজমাট আড্ডা চলছে। এতে মেলা ও আশপাশের এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, এই মেলার কারণে নেশাগ্রস্ত ও বিপথগামী হয়ে পড়ছে কিশোর-তরুণরা। নষ্ট হচ্ছে সামাজিক পরিবেশ। ওপরে মেলা আর ভেতরে চলছে লাখ লাখ টাকার মাদকের ব্যবসা। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ঘোষণার পর আগের মতো চলছে মেলা কার্যক্রম।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
মতলব উত্তর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় সাত দিনব্যাপী সোলায়মান লেংটার মেলার কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ছে।
এদিকে বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল মেলা প্রাঙ্গণে মাইকে ঘোষণা করেন যে, প্রশাসনের অনুমতি না থাকায় মাগরিব নামাজের পর মেলাটি বন্ধ করা হলো।
বুধবার রাতে ওই মেলা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, লক্ষাধিক মানুষের ভিড়। কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে চলছে মেলার নানা কার্যক্রম। বিভিন্ন জিনিসের পসরা সাজিয়ে বেচা বিক্রি চলছে। মাজার এলাকায় আশেকান-ভক্তের উপচে পড়া ভিড়। মাজারের পশ্চিম দিকে পুকুরের পাড়ে, পুকুর সংলগ্ন বাগানে ও বেড়িবাঁধ এলাকায় বসেছে গাঁজা-মদ সেবন ও বিক্রির জমজমাট আসর। মেলা বন্ধ ঘোষণা করা হলেও আগের মতোই কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বদরপুর এলাকায় পীর ও সাধক হজরত শাহ সুফি সোলায়মান (রহ.) ওরফে ‘লেংটা বাবা’ বাংলা ১৩২৫ সালের চৈত্র মাসে মারা যান। এরপর প্রতিবছর তার মাজার এলাকায় চৈত্র মাসের ১৭ তারিখে মেলা ও বার্ষিক ওরসের আয়োজন করেন। স্থানীয়ভাবে মেলাটি ‘লেংটার মেলা’ নামে পরিচিত। অন্যান্য বছরের হিসেব অনুযায়ী ৭ দিনের এই মেলায় ১৫ লাখের বেশি লোকের সমাগম হতো। এবছর মেলায় অন্তত ২ সহস্রাধিক গাঁজার দোকান ও অর্ধশতাধিক নারীদের অশ্লীল নৃত্যের জমজমাট বসেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বদরপুর এলাকার একাধিক ব্যক্তিরা অভিযোগ করে বলেন, লেংটার মেলার নামে এখানে যেভাবে দিনে–রাতে মাদক ও অশ্লীল নাচগানের আসর বসছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। মেলা এলাকার দুই শতাধিক স্থানে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের জমজমাট আড্ডা চলছে। এতে মেলা ও আশপাশের এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, এই মেলার কারণে নেশাগ্রস্ত ও বিপথগামী হয়ে পড়ছে কিশোর-তরুণরা। নষ্ট হচ্ছে সামাজিক পরিবেশ। ওপরে মেলা আর ভেতরে চলছে লাখ লাখ টাকার মাদকের ব্যবসা। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ঘোষণার পর আগের মতো চলছে মেলা কার্যক্রম।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে