দেশে পেঁয়াজের বীজ উৎপাদন বাড়াতে দিনাজপুরের হিলিতে শুরু হয়েছে উন্নত জাতের তাহেরপুরী পেঁয়াজ বীজ চাষ। উপজেলার খট্টামাধবপাড়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের মাঠে এবারই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে এই বীজ উৎপাদন শুরু হওয়ায় আশাবাদী হয়ে উঠেছেন স্থানীয় কৃষকরা।
প্রতি শতক জমিতে দুই থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। বাজারে পেঁয়াজের বীজের দাম ভালো থাকায় এই লাভজনক চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে।
বর্তমানে মাঠজুড়ে আড়াই ফুট লম্বা সবুজ গাছে সাদা গোলাকৃতির ফুল ফুটে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ফুলে ফুলে ভরা এই ক্ষেত দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন।
স্থানীয় কৃষক গোলাম মোস্তফা বলেন, পেঁয়াজ চাষের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো পরাগায়ন। আগে পেঁয়াজ ক্ষেতে প্রচুর পরিমাণে মৌমাছির দেখা মিলত। তবে এখন মাঠে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মৌমাছি আগের মতো আসে না। এ কারণে হাত দিয়েই কৃত্রিমভাবে পরাগায়ন করতে হচ্ছে।
কৃষকরা জানান, পেঁয়াজ বীজ চাষ সাধারণ পেঁয়াজ চাষের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন এবং শ্রমনির্ভর। জমি প্রস্তুত, সেচ, আগাছা দমন, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ এবং সময়মতো পরিচর্যা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উপায়ে দেখাশোনা করতে পারলে এটি কৃষকের জন্য অত্যন্ত লাভজনক একটি ফসল।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বীজ, সার এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়লে হাকিমপুরে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে এবং স্থানীয় কৃষি অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
প্রতি শতক জমিতে দুই থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। বাজারে পেঁয়াজের বীজের দাম ভালো থাকায় এই লাভজনক চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে।
বর্তমানে মাঠজুড়ে আড়াই ফুট লম্বা সবুজ গাছে সাদা গোলাকৃতির ফুল ফুটে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। ফুলে ফুলে ভরা এই ক্ষেত দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন।
স্থানীয় কৃষক গোলাম মোস্তফা বলেন, পেঁয়াজ চাষের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো পরাগায়ন। আগে পেঁয়াজ ক্ষেতে প্রচুর পরিমাণে মৌমাছির দেখা মিলত। তবে এখন মাঠে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মৌমাছি আগের মতো আসে না। এ কারণে হাত দিয়েই কৃত্রিমভাবে পরাগায়ন করতে হচ্ছে।
কৃষকরা জানান, পেঁয়াজ বীজ চাষ সাধারণ পেঁয়াজ চাষের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন এবং শ্রমনির্ভর। জমি প্রস্তুত, সেচ, আগাছা দমন, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ এবং সময়মতো পরিচর্যা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক উপায়ে দেখাশোনা করতে পারলে এটি কৃষকের জন্য অত্যন্ত লাভজনক একটি ফসল।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানান, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের বীজ, সার এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়লে হাকিমপুরে পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে এবং স্থানীয় কৃষি অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে