গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের মামলায় আপসের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে এ আদেশ দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী নাসিদুস জামান বলেন, ‘জামিনে থাকা আসামি নোবেল আদালতে হাজিরা দেন। তবে তিনি আগে জামিনে গিয়ে শর্ত ভঙ্গ করেছেন। এজন্য আমরা তার জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করি। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি গায়ক নোবেলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে একই আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এ পরোয়ানার পর গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পরদিন ২৪ ফেব্রুয়ারি তাকে আদালতে হাজির করা হয়। ওইদিন শুনানি শেষে আপসের শর্তে তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। পরে আদালতের হাজতখানা থেকে তিনি মুক্তি পান।
গত বছরের ১৩ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আনাননিয়া শবনম রোজ নামের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন গায়ক নোবেল। পরে ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে প্রায় ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। অন্য আসামিরা প্রতারণার কাজে নোবেলকে সহযোগিতা করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। তদন্ত শেষে পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
নোবেল বাদে এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নোবের মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, সহকারী মুনেম শাহ সৌমিক ও পরিচিত মাসুদ রানা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ।
এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী নাসিদুস জামান বলেন, ‘জামিনে থাকা আসামি নোবেল আদালতে হাজিরা দেন। তবে তিনি আগে জামিনে গিয়ে শর্ত ভঙ্গ করেছেন। এজন্য আমরা তার জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করি। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি গায়ক নোবেলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে একই আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এ পরোয়ানার পর গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পরদিন ২৪ ফেব্রুয়ারি তাকে আদালতে হাজির করা হয়। ওইদিন শুনানি শেষে আপসের শর্তে তার জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। পরে আদালতের হাজতখানা থেকে তিনি মুক্তি পান।
গত বছরের ১৩ আগস্ট ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে আদালতে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, আনাননিয়া শবনম রোজ নামের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন গায়ক নোবেল। পরে ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার কাছ থেকে প্রায় ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। অন্য আসামিরা প্রতারণার কাজে নোবেলকে সহযোগিতা করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। তদন্ত শেষে পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন।
নোবেল বাদে এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নোবের মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, সহকারী মুনেম শাহ সৌমিক ও পরিচিত মাসুদ রানা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে