হয়রানি বন্ধ করে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অটোমেটেড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট মডিউল চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। স্বয়ংক্রিয় এই পদ্ধতিতে প্রথম দফায় অডিটের আওতায় দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ৬০০টি প্রতিষ্ঠান এসেছে।
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ৪০৫টি, সেবাপ্রদানকারী ৯৮টি, খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা ৬৫টি এবং আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক ক্যাটাগরিতে ৩২টি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সদস্য পদমর্যাদার ওই কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, এখন থেকে আর কোনো কর্মকর্তা চাইলেই নিজের ইচ্ছামতো কোনো প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য পছন্দ করতে পারবেন না। সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রথম দফায় অডিটের জন্য দেশের ৬০০টি বড় প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করেছে এনবিআর। এর মাধ্যমে অডিটের নামে ব্যবসায়ী বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের হয়রানি বন্ধে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের সংস্কার আনা হয়েছে।
অন্যদিকে এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ এ বিষয়ে বলেন, করদাতা এবং সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে অডিট প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতেই এই ডিজিটাল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অডিটযোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে এখন থেকে কোনো ম্যানুয়াল বা মানুষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ৪০৫টি, সেবাপ্রদানকারী ৯৮টি, খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতা ৬৫টি এবং আমদানিকারক ও রপ্তানিকারক ক্যাটাগরিতে ৩২টি প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এনবিআরের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সদস্য পদমর্যাদার ওই কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, এখন থেকে আর কোনো কর্মকর্তা চাইলেই নিজের ইচ্ছামতো কোনো প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য পছন্দ করতে পারবেন না। সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রথম দফায় অডিটের জন্য দেশের ৬০০টি বড় প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করেছে এনবিআর। এর মাধ্যমে অডিটের নামে ব্যবসায়ী বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের হয়রানি বন্ধে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের সংস্কার আনা হয়েছে।
অন্যদিকে এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ এ বিষয়ে বলেন, করদাতা এবং সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে অডিট প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ করতেই এই ডিজিটাল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অডিটযোগ্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে এখন থেকে কোনো ম্যানুয়াল বা মানুষের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন