কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়ল বিরল প্রজাতির একটি ব্রাউন সার্জনফিশ। কোনো কোনো এলাকায় এটিকে ট্যাং মাছ বলা হয় । বুধবার (১ এপ্রিল) বিকালে মাছটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে বিক্রির জন্য নিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজন দেখতে ভিড় জমায়।
জেলেরা জানান, গভীর সাগরে মাছ ধরার সময় জাল টানতে গিয়ে অদ্ভুত প্রকৃতির এ মাছটি পেয়েছেন। পরে কিনারে নিয়ে আসলে স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এনিয়ে কৌতুহল সৃষ্টি হয়। তবে এটি কেনার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, সার্জনফিশ (ট্যাং মাছ) পরিবারের এই ব্রাউন সার্জনফিশের শরীর পাশ থেকে চাপা ও ডিম্বাকৃতি হওয়ায় এটি পানিতে দ্রুত ও সহজে চলাচল করতে পারে। এর গায়ের রং সাধারণত ধূসর থেকে বাদামি হয়। চোখ ও পাখনার আশেপাশে হালকা সোনালি বা হলুদ আভা দেখা যায়। মাছটির সবচেয়ে ।ালাদা বৈশিষ্ট্য হলো লেজের গোড়ায় থাকা ছোট কিন্তু অত্যন্ত ধারালো কাঁটা, যা অস্ত্রের মতো ব্যবহার করে শত্রুর আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করে। এ কারণেই এদের “সার্জনফিশ” বলা হয়। এরা সাধারণত প্রবালপ্রাচীর এলাকায় বসবাস করে এবং শৈবাল খেয়ে সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও এই মৎস্য কর্মকর্তা জানালেন।স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল হাসান জানান, এমন মাছ তারা আগে কখনো দেখেননি। তাই কাছ থেকে দেখতে এসেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা আরো বলেন, ‘এ ধরনের সার্জনফিশ আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে খুব বেশি দেখা যায় না, তবে বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানিতে এদের বিচরণ থাকে। মাছটি পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে ধরার সময় বা পরিষ্কার করতে গিয়ে লেজের ধারালো কাঁটার আঘাত থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এ কর্মকর্তা জানালেন, সার্জনফিশ বা ট্যাং মাছ সামুদ্রিক মাছ। বিশ্বের কিছু অঞ্চলের মানুষ খায়। বাংলাদেশে সাধারণত খাবারের মাছ হিসেবে এটি প্রচলিত নয়। এটি একুরিয়ামে শো-পিস হিসেবে সংরক্ষণ করতে দেখা যায়। এটি প্রতি পিস হিসেবে বিক্রি হয়। এর দাম অনেক বেশি হতে পাওে, তবে জীবিত অবস্থায় বিক্রি করতে পারলে দাম বেশি পাওয়া যায়। সার্জনফিশ দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করে থাকে। মাঝারি আকাওে হয়ে থাকে। ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ সমুদ্র অঞ্চলে এর বিচরণ রয়েছে। রাতে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মাছটি বিক্রি হয়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জেলেরা জানান, গভীর সাগরে মাছ ধরার সময় জাল টানতে গিয়ে অদ্ভুত প্রকৃতির এ মাছটি পেয়েছেন। পরে কিনারে নিয়ে আসলে স্থানীয় জেলে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এনিয়ে কৌতুহল সৃষ্টি হয়। তবে এটি কেনার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, সার্জনফিশ (ট্যাং মাছ) পরিবারের এই ব্রাউন সার্জনফিশের শরীর পাশ থেকে চাপা ও ডিম্বাকৃতি হওয়ায় এটি পানিতে দ্রুত ও সহজে চলাচল করতে পারে। এর গায়ের রং সাধারণত ধূসর থেকে বাদামি হয়। চোখ ও পাখনার আশেপাশে হালকা সোনালি বা হলুদ আভা দেখা যায়। মাছটির সবচেয়ে ।ালাদা বৈশিষ্ট্য হলো লেজের গোড়ায় থাকা ছোট কিন্তু অত্যন্ত ধারালো কাঁটা, যা অস্ত্রের মতো ব্যবহার করে শত্রুর আক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করে। এ কারণেই এদের “সার্জনফিশ” বলা হয়। এরা সাধারণত প্রবালপ্রাচীর এলাকায় বসবাস করে এবং শৈবাল খেয়ে সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলেও এই মৎস্য কর্মকর্তা জানালেন।স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল হাসান জানান, এমন মাছ তারা আগে কখনো দেখেননি। তাই কাছ থেকে দেখতে এসেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা আরো বলেন, ‘এ ধরনের সার্জনফিশ আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে খুব বেশি দেখা যায় না, তবে বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ পানিতে এদের বিচরণ থাকে। মাছটি পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে ধরার সময় বা পরিষ্কার করতে গিয়ে লেজের ধারালো কাঁটার আঘাত থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। এ কর্মকর্তা জানালেন, সার্জনফিশ বা ট্যাং মাছ সামুদ্রিক মাছ। বিশ্বের কিছু অঞ্চলের মানুষ খায়। বাংলাদেশে সাধারণত খাবারের মাছ হিসেবে এটি প্রচলিত নয়। এটি একুরিয়ামে শো-পিস হিসেবে সংরক্ষণ করতে দেখা যায়। এটি প্রতি পিস হিসেবে বিক্রি হয়। এর দাম অনেক বেশি হতে পাওে, তবে জীবিত অবস্থায় বিক্রি করতে পারলে দাম বেশি পাওয়া যায়। সার্জনফিশ দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করে থাকে। মাঝারি আকাওে হয়ে থাকে। ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগরের উষ্ণ সমুদ্র অঞ্চলে এর বিচরণ রয়েছে। রাতে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মাছটি বিক্রি হয়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন