মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে দেশে জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার জ্বালানি তেল আমদানি করছে, তারই ধারবাহিকতায় এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে আসছে আরও দুটি জাহাজ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-বিপিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ আসার কথা বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ‘পিভিটি সোলানা’ নামের পানামার পতাকাবাহী জাহাজটি ডলফিন জেটি-৫ এ নোঙর করেছে।
বিপিসির তথ্যে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জি-টু-জি মেয়াদি চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার পেটকো ট্রেডিং লাবুয়ান কোম্পানি এ চালানটি সরবরাহ করেছে।
বুধবার দুপুরের দিকে জাহাজ থেকে ডিজেল খালাস বা পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হবে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে আরও দুই চালান চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
একটি জাহাজ সিঙ্গাপুর থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে আসবে। ‘ইউয়ান জিং হে’ নামের ওই জাহাজটির পাশাপাশি ২৫ হাজার মেট্রিক টন অকটেন নিয়ে ‘সেন্ট্রাল স্টার’ নামের আরেকটি জাহাজও বন্দরে পৌঁছবে।
দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের শঙ্কায় সরকার নানা পদক্ষেপ নিলেও পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহনকে।
এর মধ্যে নানা জায়গায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের খবর আসছে। পরিস্থিতি সামলাতে সরকার নজরদারি দল গঠন করে অভিযান চালাচ্ছে।
মঙ্গলবার খনিজ ও জ্বালানি বিভাগের তরফে বলা হয়েছে, তারা জ্বালানির সংকট ‘দেখছে না’। প্রায় দুই লাখ টন জ্বালানি তেলের মজুদের তথ্য দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-বিপিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ আসার কথা বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ‘পিভিটি সোলানা’ নামের পানামার পতাকাবাহী জাহাজটি ডলফিন জেটি-৫ এ নোঙর করেছে।
বিপিসির তথ্যে বলা হয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংস্থাটি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জি-টু-জি মেয়াদি চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ার পেটকো ট্রেডিং লাবুয়ান কোম্পানি এ চালানটি সরবরাহ করেছে।
বুধবার দুপুরের দিকে জাহাজ থেকে ডিজেল খালাস বা পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হবে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে আরও দুই চালান চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
একটি জাহাজ সিঙ্গাপুর থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে আসবে। ‘ইউয়ান জিং হে’ নামের ওই জাহাজটির পাশাপাশি ২৫ হাজার মেট্রিক টন অকটেন নিয়ে ‘সেন্ট্রাল স্টার’ নামের আরেকটি জাহাজও বন্দরে পৌঁছবে।
দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের শঙ্কায় সরকার নানা পদক্ষেপ নিলেও পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহনকে।
এর মধ্যে নানা জায়গায় অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদের খবর আসছে। পরিস্থিতি সামলাতে সরকার নজরদারি দল গঠন করে অভিযান চালাচ্ছে।
মঙ্গলবার খনিজ ও জ্বালানি বিভাগের তরফে বলা হয়েছে, তারা জ্বালানির সংকট ‘দেখছে না’। প্রায় দুই লাখ টন জ্বালানি তেলের মজুদের তথ্য দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে