ঝিনাইদহে মজুত থাকা সত্ত্বেও তেল বিক্রি বন্ধ রাখাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চারটি পাম্পকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে বিএসটিআই কুষ্টিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান ও আল-আমিন এবং বিএসটিআই’র পরিদর্শক মামুনুর রহমান।
অভিযান চলাকালে মজুত থাকা সত্ত্বেও তেল বিক্রি বন্ধ রাখার দায়ে ইয়াফাদ ফিলিং স্টেশনকে ১০ হাজার টাকা, ইউসুফ-২ ফিলিং স্টেশনকে ৫ হাজার টাকা এবং ঝিনাইদহ ফিলিং স্টেশনকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তামিম ফিলিং স্টেশনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় তেল নিতে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় পাঁচ জনকে মোট ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি কাগজপত্র না থাকায় আরও দুই মোটরসাইকেল চালককে ৫০০ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বিএসটিআই’র পরিদর্শক মামুনুর রহমান জানান, বিক্রি বন্ধ থাকা ফিলিং স্টেশনগুলোতে কোনোটায় দুই হাজার লিটার আবার কোনটাই ২৩০০ লিটার তেল মজুত ছিল। পরে তাদের আবারও বিক্রির আদেশ দেওয়া হয়। তেলের অবৈধ মজুত ও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
অভিযান চলাকালে মজুত থাকা সত্ত্বেও তেল বিক্রি বন্ধ রাখার দায়ে ইয়াফাদ ফিলিং স্টেশনকে ১০ হাজার টাকা, ইউসুফ-২ ফিলিং স্টেশনকে ৫ হাজার টাকা এবং ঝিনাইদহ ফিলিং স্টেশনকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তামিম ফিলিং স্টেশনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় তেল নিতে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করায় পাঁচ জনকে মোট ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি কাগজপত্র না থাকায় আরও দুই মোটরসাইকেল চালককে ৫০০ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বিএসটিআই’র পরিদর্শক মামুনুর রহমান জানান, বিক্রি বন্ধ থাকা ফিলিং স্টেশনগুলোতে কোনোটায় দুই হাজার লিটার আবার কোনটাই ২৩০০ লিটার তেল মজুত ছিল। পরে তাদের আবারও বিক্রির আদেশ দেওয়া হয়। তেলের অবৈধ মজুত ও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন