রাজনৈতিক প্রভাবে নদী ও খাল কোনোভাবেই দখল হতে না পারে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
বৈঠকে পানিসম্পদমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বৈঠক শেষে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, ‘নদী ও খাল রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো ধরনের প্রভাব খাটিয়ে যেন দখলদারিত্ব চালানো না যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, চলতি মাসেই ফেনী ও ঝিনাইদহে দুটি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার প্রস্তুতি চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ এবং ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে কারিগরি কমিটি কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী।
এর আগে, বাংলাদেশকে রক্ষা করতে চাইলে নদীগুলোকে বাঁচানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর তার সরকারের লক্ষ্য ছিল নদী রক্ষা, নাব্য বজায় রাখা এবং দূষণ থেকে রক্ষা করা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশ দেন।
বৈঠকে পানিসম্পদমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বৈঠক শেষে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, ‘নদী ও খাল রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো ধরনের প্রভাব খাটিয়ে যেন দখলদারিত্ব চালানো না যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানান, চলতি মাসেই ফেনী ও ঝিনাইদহে দুটি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির অঙ্গীকার অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার প্রস্তুতি চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ এবং ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে কারিগরি কমিটি কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী।
এর আগে, বাংলাদেশকে রক্ষা করতে চাইলে নদীগুলোকে বাঁচানোর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার পর তার সরকারের লক্ষ্য ছিল নদী রক্ষা, নাব্য বজায় রাখা এবং দূষণ থেকে রক্ষা করা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে