​প্রেমিকার টুকরো টুকরো মরদেহ ফ্রিজে রাখেন প্রেমিক

আপলোড সময় : ৩১-০৩-২০২৬ ০৬:৫৪:১৮ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ৩১-০৩-২০২৬ ০৭:৫৭:৫৫ অপরাহ্ন
প্রেমিকাকে হত্যার পর তার দেহ থেকে মাথা, হাত এবং বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে চিন্তাদা রবীন্দ্র নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে ঘটেছে এই ঘটনা। খবর এনডিটিভির। 

জানা যায়, সম্প্রতি রবীন্দ্রের স্ত্রী তার বাবার বাড়ি বেড়াতে যান। সেইসময় রবীন্দ্র তার প্রেমিকা পলিপাল্লি মৌনিকাকে নিজ বাড়িতে ডাকেন। তবে মৌনিকা তার বাড়িতে আসলে দুইজনের মধ্যে ঝগড়া বেঁধে যায়। এতে একপর্যায়ে মৌনিকাকে হত্যার পর তার শরীর কয়েক টুকরো করেন রবীন্দ্র।

এনডিটিভি জানিয়েছে, ৩০ বছর বয়সী রবীন্দ্র ভারতের নৌ বাহিনীর একজন কর্মকর্তা। ২০২১ সালের ডেটিং অ্যাপে ৩১ বছর বয়সী মৌনিকার সঙ্গে প্রথম কথা হয় রবীন্দ্রের। এরপর বিভিন্ন জায়গায় দেখা করেন তারা। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয় এবং তারা পার্ক, থিয়েটারে দেখা করতেন। 

কয়েক সপ্তাহ আগে রবীন্দ্রের স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে যান। এই সুযোগে প্রেমিকার সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে গত রবিবার মৌনিকাকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন রবীন্দ্র। তবে সেদিন সন্ধ্যার মধ্যে দুইজনের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। পুলিশ বলছে, রবীন্দ্র মৌনিকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর অনলাইন থেকে একটি ছুরি কিনে নেন রবীন্দ্র। 

প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছুরি দিয়ে মৌনিকার মাথা, হাত, পা বিচ্ছিন্ন করেন রবীন্দ্র। এরপর ট্রলি ব্যাগে মৌনিকার পা ঢুকিয়ে নেয় রবীন্দ্র। এ ছাড়া কিছু অংশ ফ্রিজে রেখে দেয়।   

পরবর্তীতে রবীন্দ্র থানায় হাজির হন এবং তার দোষ স্বীকার করেন। রবীন্দ্র দাবি করেন, সম্পর্ক চলাকালীন মৌনিকা তার কাছ থেকে সাড়ে তিন লাখ রুপি নিয়েছেন এবং বারবার ভয় দেখান যে সম্পর্কের কথা তার স্ত্রীকে বলে দেবেন। 

পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, সম্পর্ক ফাঁসের হুমকি এবং টাকার কারণে তাদের দুইজনের মধ্যে বারবার ঝগড়া শুরু হতো। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। 

বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :