যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনের চাপিয়ে দেয়া আগ্রাসী যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে যে কোনো সিদ্ধান্ত ইরানের নিজস্ব শর্ত ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতেই নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংবাদ প্রকাশ করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি। সোমবার (৩০ মার্চ) প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দেশের সর্বশেষ অবস্থা এবং জরুরি সেবাগুলো সচল রাখার ক্ষেত্রে নির্বাহী সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
এ বৈঠকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সাহসিকতার প্রশংসা করে পেজেশকিয়ান বলেন, যারা দৃঢ়ভাবে দেশ রক্ষা করছে এবং আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলছে তাদের এ প্রতিরোধ ও প্রচেষ্টা জাতির গৌরবময় ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল অধ্যায়। দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব রক্ষায় তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।
তিনি জনগণের নজিরবিহীন ঐক্য এবং গত এক মাসে অনুষ্ঠিত বৃহৎ রাতের সমাবেশগুলোরও প্রশংসা করেন, যা ইসলামী ব্যবস্থা, সশস্ত্র বাহিনী এবং দেশের প্রতি সমর্থনের প্রতিফলন। তিনি এ ঐক্যকে জাতীয় সংহতির প্রতীক এবং বর্তমান সংকট মোকাবিলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বর্ণনা করেন।
বৈঠকে বিশেষ যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের সামগ্রিক অবস্থা, জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ, মৌলিক চাহিদার অবস্থা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সেবামূলক ও ত্রাণ সংস্থার নেয়া পদক্ষেপগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়।
মন্ত্রিসভার সদস্যরা সেবা প্রদান অব্যাহত রাখা, প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা, জনসাধারণের শান্তি বজায় রাখা এবং বিভিন্ন খাতে প্রস্তুতি জোরদারের বিষয়ে তাদের গৃহীত পদক্ষেপের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
এছাড়া সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম, অবকাঠামো ও উৎপাদন, অর্থনীতি, জীবিকা এবং রাজনৈতিক-সামাজিক-এ পাঁচটি বিশেষায়িত কার্যদলের দৈনন্দিন কার্যক্রম সম্পর্কেও একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়, যাদের সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে জনগণকে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব খাতের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং এ ধারা অব্যাহত রাখা, প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং দায়িত্বশীলতার মনোভাব বজায় রাখার ওপর জোর দেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনের হামলার প্রেক্ষাপটে দেশের সংবেদনশীল পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে পেজেশকিয়ান বলেন, কার্যকর ও সমন্বিত সেবা প্রদান অব্যাহত রাখা জাতীয় স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত এটি গুরুত্বসহকারে চালিয়ে যেতে হবে।
শেষে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যুদ্ধের অবসান সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত ইরানের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করার কাঠামোর মধ্যেই নেয়া হবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংবাদ প্রকাশ করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সি। সোমবার (৩০ মার্চ) প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দেশের সর্বশেষ অবস্থা এবং জরুরি সেবাগুলো সচল রাখার ক্ষেত্রে নির্বাহী সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়।
এ বৈঠকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সাহসিকতার প্রশংসা করে পেজেশকিয়ান বলেন, যারা দৃঢ়ভাবে দেশ রক্ষা করছে এবং আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলছে তাদের এ প্রতিরোধ ও প্রচেষ্টা জাতির গৌরবময় ইতিহাসের একটি উজ্জ্বল অধ্যায়। দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা, জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব রক্ষায় তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন।
তিনি জনগণের নজিরবিহীন ঐক্য এবং গত এক মাসে অনুষ্ঠিত বৃহৎ রাতের সমাবেশগুলোরও প্রশংসা করেন, যা ইসলামী ব্যবস্থা, সশস্ত্র বাহিনী এবং দেশের প্রতি সমর্থনের প্রতিফলন। তিনি এ ঐক্যকে জাতীয় সংহতির প্রতীক এবং বর্তমান সংকট মোকাবিলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বর্ণনা করেন।
বৈঠকে বিশেষ যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের সামগ্রিক অবস্থা, জনগণের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ, মৌলিক চাহিদার অবস্থা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সেবামূলক ও ত্রাণ সংস্থার নেয়া পদক্ষেপগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়।
মন্ত্রিসভার সদস্যরা সেবা প্রদান অব্যাহত রাখা, প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা, জনসাধারণের শান্তি বজায় রাখা এবং বিভিন্ন খাতে প্রস্তুতি জোরদারের বিষয়ে তাদের গৃহীত পদক্ষেপের প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
এছাড়া সংস্কৃতি ও গণমাধ্যম, অবকাঠামো ও উৎপাদন, অর্থনীতি, জীবিকা এবং রাজনৈতিক-সামাজিক-এ পাঁচটি বিশেষায়িত কার্যদলের দৈনন্দিন কার্যক্রম সম্পর্কেও একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়, যাদের সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে জনগণকে নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সব খাতের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং এ ধারা অব্যাহত রাখা, প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং দায়িত্বশীলতার মনোভাব বজায় রাখার ওপর জোর দেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনের হামলার প্রেক্ষাপটে দেশের সংবেদনশীল পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে পেজেশকিয়ান বলেন, কার্যকর ও সমন্বিত সেবা প্রদান অব্যাহত রাখা জাতীয় স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না হওয়া পর্যন্ত এটি গুরুত্বসহকারে চালিয়ে যেতে হবে।
শেষে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যুদ্ধের অবসান সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত ইরানের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করার কাঠামোর মধ্যেই নেয়া হবে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে