ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের আওতাধীন তিনটি থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে অতিরিক্ত মুনাফার উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা প্রায় ১২০০ লিটার ডিজেল ও পেট্রোল জব্দ করেছে। একইসঙ্গে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, একটি রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে গুলশান বিভাগের পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিভিন্ন স্থানে গোপনে মজুদ করে রাখা জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।
সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ বলেন, পুলিশের পাশাপাশি একটি রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে যৌথভাবে গুলশান, খিলখেত ও ভাটারা থানা এলাকায় জ্বালানি তেল মজুদকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। তিনি আরও জানান, এই অভিযান দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলে। অভিযানে বেশি মুনাফার জন্য অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা আনুমানিক ১২০০ লিটার পেট্রোল ও ডিজেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সাতজনকে আটক করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অপচেষ্টা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক /এনআইএন
সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদ বলেন, পুলিশের পাশাপাশি একটি রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে যৌথভাবে গুলশান, খিলখেত ও ভাটারা থানা এলাকায় জ্বালানি তেল মজুদকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। তিনি আরও জানান, এই অভিযান দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত চলে। অভিযানে বেশি মুনাফার জন্য অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা আনুমানিক ১২০০ লিটার পেট্রোল ও ডিজেল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সাতজনকে আটক করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুদ করে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অপচেষ্টা ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক /এনআইএন