আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে নতুন নীতি ঘোষণা করেছে। এই নীতির আওতায় ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে কেবল জৈবিকভাবে নারী অ্যাথলেটরাই নারী বিভাগে অংশ নিতে পারবেন।
রোববার (২৯ মার্চ) দেওয়া এক ঘোষণায় আইওসি জানায়, ট্রান্সজেন্ডার নারী এবং যৌন বিকাশজনিত পার্থক্য (ডিএসডি) থাকা অ্যাথলেটদের নারী বিভাগে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংস্থাটি এটিকে ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
আইওসির সভাপতি কার্স্টি কোভেন্ট্রি বলেন, নতুন এই নীতি প্রণয়নে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে।
আইওসি জানায়, নারী ক্রীড়ায় ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য। গত কয়েক বছর ধরে ট্রান্সজেন্ডার ও ডিএসডি অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছিল, যেখানে বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থা ও দেশের অবস্থান ছিল ভিন্ন।
এর আগে, ১৯৮০-এর দশকে অ্যাথলেটদের লিঙ্গ যাচাইয়ে জিন পরীক্ষা চালু করেছিল আইওসি। তবে সমালোচনার মুখে নব্বইয়ের দশকে সেই পদ্ধতি বাতিল করা হয়। নতুন নীতির মাধ্যমে বিষয়টি আবারও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
২০২৮ সালের অলিম্পিককে সামনে রেখে আইওসির এই সিদ্ধান্ত ক্রীড়াজগতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
রোববার (২৯ মার্চ) দেওয়া এক ঘোষণায় আইওসি জানায়, ট্রান্সজেন্ডার নারী এবং যৌন বিকাশজনিত পার্থক্য (ডিএসডি) থাকা অ্যাথলেটদের নারী বিভাগে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংস্থাটি এটিকে ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
আইওসির সভাপতি কার্স্টি কোভেন্ট্রি বলেন, নতুন এই নীতি প্রণয়নে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তার ভাষায়, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে।
আইওসি জানায়, নারী ক্রীড়ায় ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য। গত কয়েক বছর ধরে ট্রান্সজেন্ডার ও ডিএসডি অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছিল, যেখানে বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থা ও দেশের অবস্থান ছিল ভিন্ন।
এর আগে, ১৯৮০-এর দশকে অ্যাথলেটদের লিঙ্গ যাচাইয়ে জিন পরীক্ষা চালু করেছিল আইওসি। তবে সমালোচনার মুখে নব্বইয়ের দশকে সেই পদ্ধতি বাতিল করা হয়। নতুন নীতির মাধ্যমে বিষয়টি আবারও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
২০২৮ সালের অলিম্পিককে সামনে রেখে আইওসির এই সিদ্ধান্ত ক্রীড়াজগতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে