লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে ইউরোপের দেশ গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ভাসমান নৌকায় থাকা কমপক্ষে ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জের ১২ জন রয়েছেন বলে এখন পর্যন্ত খবর পাওয়া গেছে।
রোববার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে গ্রিসের বাংলাদেশ দূতাবাস। এই কাজে জড়িত চক্রকে খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, আমরা আমাদের মিশন থেকে যে তথ্যটা পেয়েছি, তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বেসিক্যালি যারা স্মাগলিংটা করে তারা লিবিয়ারও আছে এবং বাংলাদেশেও আছে। আমরা ধারণা করছি যে, এটা একটা চক্র যারা সবসময় এই বিভিন্ন দেশে নাগরিকদের বিপদে ফেলে, তাদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা পয়সা দিয়ে তারা নিয়ে যায়। এই পার্টিকুলার ইনসিডেন্টটা- এখানে বেশ কিছু দেশের নাগরিক ছিল। তার মধ্যে বাংলাদেশের কিছু নাগরিক ছিল, তার মধ্যে আরো আনফরচুনেট হচ্ছে একজন নারী ছিলেন, একজন শিশু ছিল। আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না। তাদেরকে উদ্ধার করে কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং কয়েকজনকে একটা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের দূতাবাস তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করেছে। আরো ডিটেলস, কী অবস্থায় আছে তা জানার চেষ্টা করছে। সময় লাগবে, কাজটা চলছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। এই থেকে প্রতীয়মান হয় যে আমরা কতো ভালনারেবল অবস্থায় আছি। এই যে স্মাগলাররা- তাদের একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখানে হওয়া উচিত এবং আমার মন্ত্রণালয়কে আমি আজকে সকালে বললাম যে এটা আইডেন্টিফাই করা যায় কিভাবে, যে কারা এটা করছে। এখানে লিবিয়ার লোকজনও আছে, বাংলাদেশের লোকজনও আছে। এটা আইডেন্টিফাই করে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে হোক বা বাংলাদেশি আইনে- তাদেরকে শাস্তি আওতায় আনতে হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের একটু সময় লাগবে কারণ এখন আমাদের ওখানে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করছে। কারণ কিছু রুলস এন্ড রেগুলেশনসের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যখন এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে তখন প্রত্যেক দেশের সরকার সেন্সিটিভ হয়ে যায়। আমাদের এখন প্রথম কাজ হচ্ছে যে বাংলাদেশি যাদের জীবনটা বেঁচে গেছে তাদের অবস্থা কী, তারা ক্যাম্পে কী অবস্থায় আছে- আইডেন্টিফিকেশনটা দরকার। প্রথমত আমাদের জানতে হবে যে প্রত্যেকটা আইডেন্টিফিকেশন কারেক্ট নাকি এবং সেটা সত্য নাকি। নেক্সট স্টেপ হচ্ছে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার।
তিনি আরো বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইনভেস্টিগেশন করছে এবং আমরাও সচেষ্ট আছি। কিন্তু এটা আমি মনে করি লং টার্ম সলিউশন হচ্ছে যে এটা কিভাবে বন্ধ করা যায়, সেটার একটা উপায় আমাদের অবশ্যই বের করতে হবে। কারণ এটা হতে দেওয়া যায় না। এটা কোনভাবেই সভ্যতার কোন ডেফিনিশনের মধ্যে পড়ে না।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
রোববার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে গ্রিসের বাংলাদেশ দূতাবাস। এই কাজে জড়িত চক্রকে খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, আমরা আমাদের মিশন থেকে যে তথ্যটা পেয়েছি, তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বেসিক্যালি যারা স্মাগলিংটা করে তারা লিবিয়ারও আছে এবং বাংলাদেশেও আছে। আমরা ধারণা করছি যে, এটা একটা চক্র যারা সবসময় এই বিভিন্ন দেশে নাগরিকদের বিপদে ফেলে, তাদেরকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা পয়সা দিয়ে তারা নিয়ে যায়। এই পার্টিকুলার ইনসিডেন্টটা- এখানে বেশ কিছু দেশের নাগরিক ছিল। তার মধ্যে বাংলাদেশের কিছু নাগরিক ছিল, তার মধ্যে আরো আনফরচুনেট হচ্ছে একজন নারী ছিলেন, একজন শিশু ছিল। আমরা এখনো বিস্তারিত জানি না। তাদেরকে উদ্ধার করে কয়েকজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং কয়েকজনকে একটা ক্যাম্পে রাখা হয়েছে ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের দূতাবাস তাদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করেছে। আরো ডিটেলস, কী অবস্থায় আছে তা জানার চেষ্টা করছে। সময় লাগবে, কাজটা চলছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। এই থেকে প্রতীয়মান হয় যে আমরা কতো ভালনারেবল অবস্থায় আছি। এই যে স্মাগলাররা- তাদের একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এখানে হওয়া উচিত এবং আমার মন্ত্রণালয়কে আমি আজকে সকালে বললাম যে এটা আইডেন্টিফাই করা যায় কিভাবে, যে কারা এটা করছে। এখানে লিবিয়ার লোকজনও আছে, বাংলাদেশের লোকজনও আছে। এটা আইডেন্টিফাই করে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে হোক বা বাংলাদেশি আইনে- তাদেরকে শাস্তি আওতায় আনতে হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের একটু সময় লাগবে কারণ এখন আমাদের ওখানে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করছে। কারণ কিছু রুলস এন্ড রেগুলেশনসের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যখন এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে তখন প্রত্যেক দেশের সরকার সেন্সিটিভ হয়ে যায়। আমাদের এখন প্রথম কাজ হচ্ছে যে বাংলাদেশি যাদের জীবনটা বেঁচে গেছে তাদের অবস্থা কী, তারা ক্যাম্পে কী অবস্থায় আছে- আইডেন্টিফিকেশনটা দরকার। প্রথমত আমাদের জানতে হবে যে প্রত্যেকটা আইডেন্টিফিকেশন কারেক্ট নাকি এবং সেটা সত্য নাকি। নেক্সট স্টেপ হচ্ছে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার।
তিনি আরো বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ইনভেস্টিগেশন করছে এবং আমরাও সচেষ্ট আছি। কিন্তু এটা আমি মনে করি লং টার্ম সলিউশন হচ্ছে যে এটা কিভাবে বন্ধ করা যায়, সেটার একটা উপায় আমাদের অবশ্যই বের করতে হবে। কারণ এটা হতে দেওয়া যায় না। এটা কোনভাবেই সভ্যতার কোন ডেফিনিশনের মধ্যে পড়ে না।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে