চট্টগ্রাম বন্দরে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তিনটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ট্যাংকার পৌঁছাবে। এর মধ্যে একটি এরই মধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে, বাকি দুটি আগামী বুধবারের মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনটি ট্যাংকারে মোট প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ ট্যাংকার বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া, ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের দুটি ট্যাংকার আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছাবে।
ট্যাংকার দুটির স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম বলেন, এখন পর্যন্ত সময়সূচি অনুযায়ী ট্যাংকার দুটি নির্ধারিত সময়েই পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশে এলএনজি আমদানি মূলত কাতার থেকে আসে; মোট আমদানি প্রায় ৭০ শতাংশ কাতার থেকে হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এই সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাতার থেকে দুটি ট্যাংকার আসার কথা থাকলেও তা এখনো পৌঁছায়নি। এদের মধ্যে একটি ট্যাংকার রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজিবাহী অবস্থায় আটকে রয়েছে।
বন্দর সূত্র জানিয়েছে, এ মাসে এখন পর্যন্ত মোট সাতটি এলএনজিবাহী ট্যাংকার দেশে এসেছে, যা সাধারণ মাসিক ১০–১১টি ট্যাংকারের চেয়ে কম।
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা এলএনজি আমদানি করে থাকে। সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তার মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি আনার চেষ্টা চলছে। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও আপাতত বড় ধরনের সরবরাহ সংকট হবে না বলে তারা আশ্বস্ত করছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ ট্যাংকার বৃহস্পতিবার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া, ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের দুটি ট্যাংকার আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে পৌঁছাবে।
ট্যাংকার দুটির স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম বলেন, এখন পর্যন্ত সময়সূচি অনুযায়ী ট্যাংকার দুটি নির্ধারিত সময়েই পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বাংলাদেশে এলএনজি আমদানি মূলত কাতার থেকে আসে; মোট আমদানি প্রায় ৭০ শতাংশ কাতার থেকে হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এই সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাতার থেকে দুটি ট্যাংকার আসার কথা থাকলেও তা এখনো পৌঁছায়নি। এদের মধ্যে একটি ট্যাংকার রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজিবাহী অবস্থায় আটকে রয়েছে।
বন্দর সূত্র জানিয়েছে, এ মাসে এখন পর্যন্ত মোট সাতটি এলএনজিবাহী ট্যাংকার দেশে এসেছে, যা সাধারণ মাসিক ১০–১১টি ট্যাংকারের চেয়ে কম।
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা এলএনজি আমদানি করে থাকে। সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তার মধ্যে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি আনার চেষ্টা চলছে। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও আপাতত বড় ধরনের সরবরাহ সংকট হবে না বলে তারা আশ্বস্ত করছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে