রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা আরও কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করলে এই সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়।
দুর্ঘটনার বিবরণ
বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর পন্টুনে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস ফেরিতে ওঠার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বাসটি ফেরিতে ওঠার মুহূর্তে পন্টুনে জোরালো ঝাঁকুনি লাগলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান এবং বাসটি সরাসরি গভীর পানিতে তলিয়ে যায়।
উদ্ধার অভিযান
ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা, ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ উদ্ধারকাজ শুরু করে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিএ-এর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ নদী থেকে বাসটি টেনে তুলতে সক্ষম হয়। বাসটি পানির উপরে তুলে আনার পর ভেতর থেকে ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীকালে নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে আজ সকাল ৮টা নাগাদ আরও ৭ জনের মরদেহ পাওয়া যায়। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।
যাত্রীদের অবস্থা
বাস কাউন্টার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা অভিমুখী এই বাসটিতে চালক ও সহকারীসহ অন্তত ৪০ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর অন্তত ১৭ জন যাত্রী সাঁতরে বা স্থানীয়দের সহায়তায় প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হন। এখনো কয়েকজন নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে ফায়ার সার্ভিস।
প্রশাসনের পদক্ষেপ
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের মরদেহ শনাক্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দাফন ও জরুরি সহায়তার জন্য প্রতিটি পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
দুর্ঘটনার বিবরণ
বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর পন্টুনে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস ফেরিতে ওঠার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বাসটি ফেরিতে ওঠার মুহূর্তে পন্টুনে জোরালো ঝাঁকুনি লাগলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান এবং বাসটি সরাসরি গভীর পানিতে তলিয়ে যায়।
উদ্ধার অভিযান
ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা, ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ উদ্ধারকাজ শুরু করে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিএ-এর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ নদী থেকে বাসটি টেনে তুলতে সক্ষম হয়। বাসটি পানির উপরে তুলে আনার পর ভেতর থেকে ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীকালে নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে আজ সকাল ৮টা নাগাদ আরও ৭ জনের মরদেহ পাওয়া যায়। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।
যাত্রীদের অবস্থা
বাস কাউন্টার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা অভিমুখী এই বাসটিতে চালক ও সহকারীসহ অন্তত ৪০ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর অন্তত ১৭ জন যাত্রী সাঁতরে বা স্থানীয়দের সহায়তায় প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম হন। এখনো কয়েকজন নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে ফায়ার সার্ভিস।
প্রশাসনের পদক্ষেপ
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতদের মরদেহ শনাক্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দাফন ও জরুরি সহায়তার জন্য প্রতিটি পরিবারকে তাৎক্ষণিকভাবে ২৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে