কুমিল্লার পদুয়া বাজারে বাস-ট্রেনের সংঘর্ষে ১২ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ওই রেল ক্রসিংয়ে দায়িত্বরত দুই গেটম্যানের কেউই ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তাদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান র্যাব -১১ এর উপ-অধিনায়ক লে. কমান্ডার মো. নাঈম উল হক। এই ঘটনায় হওয়া মামলায় এক গেটম্যানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে কুমিল্লার বুড়িচং থানাধীন শংকুচাইল এলাকা থেকে মো. হেলাল নামে ওই গেটম্যানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১১। তিনি এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
গত ২২ মার্চ রাত ৩টা ১০ মিনিটে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচে রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় যশোর থেকে লক্ষ্মীপুরগামী ‘মামুন স্পেশাল’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনে ধাক্কার ঘটনা ঘটে। এতে ১২ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হন। এই ঘটনায় বাসের যাত্রী নিহত সোহেল রানার খালা বাদী হয়ে লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে আসামি করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, কর্তব্যরত গেটম্যান রেলক্রসিংয়ের গেট বন্ধ না করায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সময় দুই গেটম্যান মো. হেলাল ও মেহেদী হাসান কেউই ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তাদের দায়িত্ব অবহেলার কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত মো. হেলালকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে এবং অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বুধবার (২৫ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান র্যাব -১১ এর উপ-অধিনায়ক লে. কমান্ডার মো. নাঈম উল হক। এই ঘটনায় হওয়া মামলায় এক গেটম্যানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে কুমিল্লার বুড়িচং থানাধীন শংকুচাইল এলাকা থেকে মো. হেলাল নামে ওই গেটম্যানকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-১১। তিনি এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
গত ২২ মার্চ রাত ৩টা ১০ মিনিটে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচে রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় যশোর থেকে লক্ষ্মীপুরগামী ‘মামুন স্পেশাল’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসে ট্রেনে ধাক্কার ঘটনা ঘটে। এতে ১২ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হন। এই ঘটনায় বাসের যাত্রী নিহত সোহেল রানার খালা বাদী হয়ে লাকসাম রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই রেলক্রসিংয়ের দুই গেটম্যানকে আসামি করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, কর্তব্যরত গেটম্যান রেলক্রসিংয়ের গেট বন্ধ না করায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সময় দুই গেটম্যান মো. হেলাল ও মেহেদী হাসান কেউই ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তাদের দায়িত্ব অবহেলার কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তারকৃত মো. হেলালকে লাকসাম রেলওয়ে থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে এবং অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে