খুলনা মহানগরীসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় তেল সংকটের কারণে পেট্রল পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। অধিকাংশ পাম্পেই ‘তেল নেই’ লেখা ঝুলতে দেখা যায়। যেসব পাম্পে অল্প পরিমাণ তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যাচ্ছে মজুদ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, অনেক পাম্পে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহের কারণে মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং প্রাইভেটকারে ১০ লিটার করে দেওয়া হলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।
নগরীর বিভিন্ন পেট্রল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে চালকদের। ঈদের আগ থেকেই শুরু হওয়া এ সংকট এখনো অব্যাহত রয়েছে।
নগরীর নিউ মার্কেট এলাকার মেট্রোপলিটন ফিলিং স্টেশনে সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক মোটরসাইকেলচালক। প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও হাইয়েস মিলিয়ে প্রায় ১৫টি যানবাহন অপেক্ষায় ছিল।
শাওন নামের এক প্রাইভেটকার চালক বলেন, প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি মাত্র ১০ লিটার অকটেন সংগ্রহ করতে পেরেছেন। এ সময় পাম্পের আশপাশে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় জোড়াগেট এলাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যা অন্তত এক-চতুর্থাংশ কিলোমিটার।
অন্যদিকে, সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন মেসার্স গোলাম হোসেন ফিলিং স্টেশনে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
এম. মোর্শেদ নামের এক মোটরসাইকেলচালক জানান, নগরীর বৈকালীর একটি পাম্পে তুলনামূলক কম ভিড় থাকায় তিনি সেখান থেকেই নিয়মিত তেল নেন। তবে খুলনা থেকে আড়ংঘাটা পর্যন্ত প্রায় সব পাম্পেই একই চিত্র—দীর্ঘ লাইন ও তীব্র ভিড়। তেল সংকটের কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
সংশ্লিষ্টরা জানান, অনেক পাম্পে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহের কারণে মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং প্রাইভেটকারে ১০ লিটার করে দেওয়া হলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না।
নগরীর বিভিন্ন পেট্রল পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে চালকদের। ঈদের আগ থেকেই শুরু হওয়া এ সংকট এখনো অব্যাহত রয়েছে।
নগরীর নিউ মার্কেট এলাকার মেট্রোপলিটন ফিলিং স্টেশনে সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন শতাধিক মোটরসাইকেলচালক। প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও হাইয়েস মিলিয়ে প্রায় ১৫টি যানবাহন অপেক্ষায় ছিল।
শাওন নামের এক প্রাইভেটকার চালক বলেন, প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষার পর তিনি মাত্র ১০ লিটার অকটেন সংগ্রহ করতে পেরেছেন। এ সময় পাম্পের আশপাশে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং লাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় জোড়াগেট এলাকা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। যা অন্তত এক-চতুর্থাংশ কিলোমিটার।
অন্যদিকে, সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন মেসার্স গোলাম হোসেন ফিলিং স্টেশনে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।
এম. মোর্শেদ নামের এক মোটরসাইকেলচালক জানান, নগরীর বৈকালীর একটি পাম্পে তুলনামূলক কম ভিড় থাকায় তিনি সেখান থেকেই নিয়মিত তেল নেন। তবে খুলনা থেকে আড়ংঘাটা পর্যন্ত প্রায় সব পাম্পেই একই চিত্র—দীর্ঘ লাইন ও তীব্র ভিড়। তেল সংকটের কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে