পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের কারাগারগুলোতে থাকা কারাবন্দিরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ পাবেন। এছাড়া বন্দিদের জন্য থাকবে উন্নত মানের খাবার। কারাগারের অভ্যন্তরেই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে ঈদের জামাতের।
দেশের ৭৩টি কারাগারে এবার ঈদ উদযাপন করবেন প্রায় ৭৫ হাজার বন্দি। বন্দিদের তিন বেলা পরিবেশন করা হবে উন্নত মানের খাবার, চাইলে স্বজনের দেওয়া খাবারও খেতে পারবেন। এ ছাড়া স্বজনের সঙ্গে দেখা করা বা ফোনে কথা বলার সুযোগও পাবেন তারা। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ বিভিন্ন কারাগারে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলার আয়োজন।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ঈদ উপলক্ষে প্রতিবারই বন্দিদের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়। এবার ঈদে কারাগারে থাকা ভিআইপি বন্দিসহ সবার জন্য দুপুরে পোলাও, গরু বা খাসির মাংস, মুরগির রোস্ট, সালাদ, মিষ্টি ও পান-সুপারির ব্যবস্থা থাকবে। সকালে পায়েস বা সেমাই ও মুড়ি এবং রাতে ভাত, আলুর দম ও রুই মাছ ভাজা দেওয়া হবে।
কারা সূত্র জানায়, কারাগারে এখন ১৭৯ জন ডিভিশন বা বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ভিআইপি বন্দি আছেন। তাদের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ৩৪ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ৪২ জন সংসদ সদস্য, ৯৮ জন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ছাড়া ডিভিশন না পাওয়া ভিআইপি বন্দিদের মধ্যে রয়েছেন একজন প্রতিমন্ত্রী, ২৮ জন সংসদ সদস্য, দুজন সরকারি কর্মকর্তা ও অন্যান্য ১১ জন। তারা সবাই ঈদে এই বিশেষ খাবার পাবেন।
এ ছাড়া অন্যান্য সময় সাধারণ বন্দিদের সকালে রুটি, হালুয়া ও ডিম, দুপুরে ভাত, ডাল, সবজি এবং রাতে ভাত, ডাল, মাছ বা মাংস দেওয়া হয়। অবশ্য ডিভিশন পাওয়া বন্দিরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী খাবার পান।
কারা কর্মকর্তারা জানান, সাধারণত ১৫ দিন পরপর বন্দির স্বজন দেখা করতে পারেন। তবে সেই হিসাবের বাইরে ঈদের তিন দিনে (২১ থেকে ২৩ মার্চ) একবার করে দেখা করতে পারবেন স্বজন। এই সময়ের মধ্যে একবার বাড়ির খাবার দেওয়া যাবে। সেগুলো নিয়মমাফিক পরীক্ষা করে বন্দিদের কাছে পৌঁছে দেবে কারা কর্তৃপক্ষ। একজন বন্দি ফোনে সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট স্বজনের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।
এদিকে বন্দিদের জন্য ঈদের জামাত কারাগারগুলোর ভেতরেই অনুষ্ঠিত হবে। আর বিকেল ও সন্ধ্যায় কিছু কারাগারে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলার ব্যবস্থা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কারাগারগুলোর তত্বাবধায়কদের এই আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে কারা অধিদপ্তর।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
দেশের ৭৩টি কারাগারে এবার ঈদ উদযাপন করবেন প্রায় ৭৫ হাজার বন্দি। বন্দিদের তিন বেলা পরিবেশন করা হবে উন্নত মানের খাবার, চাইলে স্বজনের দেওয়া খাবারও খেতে পারবেন। এ ছাড়া স্বজনের সঙ্গে দেখা করা বা ফোনে কথা বলার সুযোগও পাবেন তারা। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ বিভিন্ন কারাগারে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলার আয়োজন।
কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল ফরহাদ বলেন, ঈদ উপলক্ষে প্রতিবারই বন্দিদের জন্য বিশেষ আয়োজন করা হয়। এবার ঈদে কারাগারে থাকা ভিআইপি বন্দিসহ সবার জন্য দুপুরে পোলাও, গরু বা খাসির মাংস, মুরগির রোস্ট, সালাদ, মিষ্টি ও পান-সুপারির ব্যবস্থা থাকবে। সকালে পায়েস বা সেমাই ও মুড়ি এবং রাতে ভাত, আলুর দম ও রুই মাছ ভাজা দেওয়া হবে।
কারা সূত্র জানায়, কারাগারে এখন ১৭৯ জন ডিভিশন বা বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ভিআইপি বন্দি আছেন। তাদের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ৩৪ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, ৪২ জন সংসদ সদস্য, ৯৮ জন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ছাড়া ডিভিশন না পাওয়া ভিআইপি বন্দিদের মধ্যে রয়েছেন একজন প্রতিমন্ত্রী, ২৮ জন সংসদ সদস্য, দুজন সরকারি কর্মকর্তা ও অন্যান্য ১১ জন। তারা সবাই ঈদে এই বিশেষ খাবার পাবেন।
এ ছাড়া অন্যান্য সময় সাধারণ বন্দিদের সকালে রুটি, হালুয়া ও ডিম, দুপুরে ভাত, ডাল, সবজি এবং রাতে ভাত, ডাল, মাছ বা মাংস দেওয়া হয়। অবশ্য ডিভিশন পাওয়া বন্দিরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী খাবার পান।
কারা কর্মকর্তারা জানান, সাধারণত ১৫ দিন পরপর বন্দির স্বজন দেখা করতে পারেন। তবে সেই হিসাবের বাইরে ঈদের তিন দিনে (২১ থেকে ২৩ মার্চ) একবার করে দেখা করতে পারবেন স্বজন। এই সময়ের মধ্যে একবার বাড়ির খাবার দেওয়া যাবে। সেগুলো নিয়মমাফিক পরীক্ষা করে বন্দিদের কাছে পৌঁছে দেবে কারা কর্তৃপক্ষ। একজন বন্দি ফোনে সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট স্বজনের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।
এদিকে বন্দিদের জন্য ঈদের জামাত কারাগারগুলোর ভেতরেই অনুষ্ঠিত হবে। আর বিকেল ও সন্ধ্যায় কিছু কারাগারে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলার ব্যবস্থা। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কারাগারগুলোর তত্বাবধায়কদের এই আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে কারা অধিদপ্তর।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে