জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন আর নেই। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
টিভি নাটকের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
মঞ্চ থেকে শুরু করে ছোট পর্দা, এমনকি বড় পর্দায়ও দাপিয়ে বেড়িয়েছেন শামস সুমন। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে টেলিভিশন নাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেছেন।
তুখোড় এ অভিনেতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন স্বননের সদস্য ছিলেন।
তাঁর অভিনিত চলীচ্চত্রগুলো হলো- মন জানে না মনের ঠিকানা (২০১৬) কক্সবাজারে কাকাতুয়া (২০১৬) চোখের দেখা (২০১৬), প্রিয়া তুমি সুখী হও (২০১৪), আয়না কাহিনী (২০১৩), বিদ্রোহী পদ্মা (২০০৬), জয়যাত্রা (২০০৪), নমুনা (২০০৮), হ্যালো অমিত (২০১২), জয়যাত্রা (২০০৪)।
২০০৮ সালে স্বপ্নপুরণ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
টিভি নাটকের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
মঞ্চ থেকে শুরু করে ছোট পর্দা, এমনকি বড় পর্দায়ও দাপিয়ে বেড়িয়েছেন শামস সুমন। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ থেকে টেলিভিশন নাটকে অভিনয় শুরু করেন তিনি। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেছেন।
তুখোড় এ অভিনেতা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন স্বননের সদস্য ছিলেন।
তাঁর অভিনিত চলীচ্চত্রগুলো হলো- মন জানে না মনের ঠিকানা (২০১৬) কক্সবাজারে কাকাতুয়া (২০১৬) চোখের দেখা (২০১৬), প্রিয়া তুমি সুখী হও (২০১৪), আয়না কাহিনী (২০১৩), বিদ্রোহী পদ্মা (২০০৬), জয়যাত্রা (২০০৪), নমুনা (২০০৮), হ্যালো অমিত (২০১২), জয়যাত্রা (২০০৪)।
২০০৮ সালে স্বপ্নপুরণ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে