ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দীর্ঘ যানজটের দুর্ভোগের দৃশ্য প্রায় প্রতিদিনের। আর ঈদ এলে তা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। কখনও কখনও এমনও হয় যে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, অথচ তার কারণও জানা নেই। দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোর এই মহাসড়ক। চার লেনের প্রশস্ত রাস্তা হলেও পথ চলতে অবস্থাপনা চোখে পড়ে মহাসড়কের পরতে পরতে।
সড়কে হঠাৎ গাড়ি নষ্ট হলে মুহূর্তেই দীর্ঘ জটলার সৃষ্টি হয়। সেইসঙ্গে ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে সেতুগুলোতে টোল আদায় ও অটোরিক্সা এবং সিএনজির দৌরাত্ম্য তো আছেই; যার ফলে মহাসড়কে হুটহাট দূরপাল্লার গাড়ির গতি কমাতে বাড়াতে হয়, ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। তাছাড়া এবার জ্বালানি সংকটে এবার যানজট আরও বাড়ার শঙ্কাও আছে। কেননা, ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন মূল সড়ক দখলে নেয়। মহাসড়কে জ্যামে আটকেপড়া একজন চালক জানালেন, এই লাইনে লাইনে দেখা যায় একজনে ডাইনে লয়, আরেকজনে ডাইনে লয়; লইতে লইতে রাস্তা শেষ। এ জ্যাম ঠেইলা সামনে গিয়া আরেক পাম্পে দেখি একই অবস্থা। আরেকজন জানান, আমরা সর্বোচ্চ ৮০ স্পিড ম্যানটেইন করি। কিন্তু ফিটনেসবিহীন গাড়ি ধীরগতি হওয়ার কারণে একটা লম্বা জ্যাম লেগে যায়।
সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়, সায়েদাবাদের মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার এবং নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, শিমরাইল ও আদমজী সড়ক। অবৈধ পার্কিং, যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী তোলা, উল্টোপথে গাড়ি চালানোর মতো অসঙ্গতি ফলে বাড়ছে দুর্ভোগ। ঈদ এলেই যানজট নিরসনে সড়কে নীতি নির্ধারকদের দৌঁড়ঝাপ বেড়ে যায়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, অতীতের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রা হবে অনেকটা নির্বিঘ্ন। তিনি বলেন, এখানে যা যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার, আমরা গত সাত দিন ধরে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং, সংস্থাগুলোর মধ্যে মিটিং; দায়িত্বে যারা আছে, কে কী কাজ করবে ডিস্ট্রিবিউট করেছি। অর্থাৎ ঈদ উপলক্ষে একটা বিশেষ প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। আমি মনে করি, মানুষ একটা স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় ঈদযাত্রা পেতে যাচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাড়সকের অবকাঠামোগত তেমন কোন ত্রুটি নেই। শুধুমাত্র অবস্থাপনার কারনেই বছরের পর বছর ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, এখানে যানবাহনের গতি আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেই জায়গাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, অনেকটা হটস্পট বলব—সেখানে দুইপাশে হাটবাজার। এ ছাড়া টোলপ্লাজার অক্ষমতার কারণেও যানবাহনের সাড়ি তৈরি হয়। সারা বছরের যানজটের মূল কারণ হলো অব্যবস্থাপনা। সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিতের পাশাপাশ আইন বাস্তবায়নে সরকারকে কঠোর হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
সড়কে হঠাৎ গাড়ি নষ্ট হলে মুহূর্তেই দীর্ঘ জটলার সৃষ্টি হয়। সেইসঙ্গে ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে সেতুগুলোতে টোল আদায় ও অটোরিক্সা এবং সিএনজির দৌরাত্ম্য তো আছেই; যার ফলে মহাসড়কে হুটহাট দূরপাল্লার গাড়ির গতি কমাতে বাড়াতে হয়, ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। তাছাড়া এবার জ্বালানি সংকটে এবার যানজট আরও বাড়ার শঙ্কাও আছে। কেননা, ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন মূল সড়ক দখলে নেয়। মহাসড়কে জ্যামে আটকেপড়া একজন চালক জানালেন, এই লাইনে লাইনে দেখা যায় একজনে ডাইনে লয়, আরেকজনে ডাইনে লয়; লইতে লইতে রাস্তা শেষ। এ জ্যাম ঠেইলা সামনে গিয়া আরেক পাম্পে দেখি একই অবস্থা। আরেকজন জানান, আমরা সর্বোচ্চ ৮০ স্পিড ম্যানটেইন করি। কিন্তু ফিটনেসবিহীন গাড়ি ধীরগতি হওয়ার কারণে একটা লম্বা জ্যাম লেগে যায়।
সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়, সায়েদাবাদের মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার এবং নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, শিমরাইল ও আদমজী সড়ক। অবৈধ পার্কিং, যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী তোলা, উল্টোপথে গাড়ি চালানোর মতো অসঙ্গতি ফলে বাড়ছে দুর্ভোগ। ঈদ এলেই যানজট নিরসনে সড়কে নীতি নির্ধারকদের দৌঁড়ঝাপ বেড়ে যায়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, অতীতের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রা হবে অনেকটা নির্বিঘ্ন। তিনি বলেন, এখানে যা যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার, আমরা গত সাত দিন ধরে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং, সংস্থাগুলোর মধ্যে মিটিং; দায়িত্বে যারা আছে, কে কী কাজ করবে ডিস্ট্রিবিউট করেছি। অর্থাৎ ঈদ উপলক্ষে একটা বিশেষ প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। আমি মনে করি, মানুষ একটা স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় ঈদযাত্রা পেতে যাচ্ছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাড়সকের অবকাঠামোগত তেমন কোন ত্রুটি নেই। শুধুমাত্র অবস্থাপনার কারনেই বছরের পর বছর ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, এখানে যানবাহনের গতি আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেই জায়গাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, অনেকটা হটস্পট বলব—সেখানে দুইপাশে হাটবাজার। এ ছাড়া টোলপ্লাজার অক্ষমতার কারণেও যানবাহনের সাড়ি তৈরি হয়। সারা বছরের যানজটের মূল কারণ হলো অব্যবস্থাপনা। সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিতের পাশাপাশ আইন বাস্তবায়নে সরকারকে কঠোর হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন