জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটির কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধ হয়ে যাওয়া দুটি ইউনিটের মধ্যে একটির উৎপাদন পুনরায় চালু হয়েছে। তবে ৪০০ মেগাওয়াটের আরও একটি ইউনিট চালু করতে অন্তত তিন দিন সময় লাগবে। এছাড়া গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা অপর একটি ইউনিট থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাত সোয়া ৮টার দিকে চালু হওয়া ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয় বলে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, দুপুর আড়াইটার পর হঠাৎ করে জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়। এতে করে গ্রিড লাইনের সঙ্গে যুক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্থ ও ৪০০ মেগাওয়াট ইস্ট ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি দল ইউনিট দুটি চালু করতে কাজ শুরু করে। পরে ত্রুটি সারানো হলে পৌনে ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাত সোয়া ৮টা থেকে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্থ ইউনিটটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরে।
আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক (পরিচালন ও সংরক্ষণ) মোহা. আব্দুল মজিদ জানান, আশুগঞ্জ-ভুলতা ৪০০ কেভি গ্রিড লাইনে ত্রুটির কারণে হঠাৎ ট্রিপ করে ৪৫০ মেগাওয়াট (নর্থ) ও ৪০০ মেগাওয়াট (ইস্ট) বন্ধ হয়ে যায়। ত্রুটি সারানের পর ৪৫০ মেগাওয়াট নর্থ ইউনিটটি চালু করা হয়েছে৷ তবে ৪০০ মেগাওয়াটের ইস্ট ইউনিটটি চালু করতে অন্তত তিন দিন সময় লাগবে। এ অবস্থায় ইস্ট ইউনিটের জন্য বরাদ্দকৃত গ্যাস দিয়ে ৫০ মেগাওয়াটের আরেকটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, দুপুর আড়াইটার পর হঠাৎ করে জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়। এতে করে গ্রিড লাইনের সঙ্গে যুক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্থ ও ৪০০ মেগাওয়াট ইস্ট ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি দল ইউনিট দুটি চালু করতে কাজ শুরু করে। পরে ত্রুটি সারানো হলে পৌনে ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর রাত সোয়া ৮টা থেকে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন নর্থ ইউনিটটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরে।
আশুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক (পরিচালন ও সংরক্ষণ) মোহা. আব্দুল মজিদ জানান, আশুগঞ্জ-ভুলতা ৪০০ কেভি গ্রিড লাইনে ত্রুটির কারণে হঠাৎ ট্রিপ করে ৪৫০ মেগাওয়াট (নর্থ) ও ৪০০ মেগাওয়াট (ইস্ট) বন্ধ হয়ে যায়। ত্রুটি সারানের পর ৪৫০ মেগাওয়াট নর্থ ইউনিটটি চালু করা হয়েছে৷ তবে ৪০০ মেগাওয়াটের ইস্ট ইউনিটটি চালু করতে অন্তত তিন দিন সময় লাগবে। এ অবস্থায় ইস্ট ইউনিটের জন্য বরাদ্দকৃত গ্যাস দিয়ে ৫০ মেগাওয়াটের আরেকটি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন