জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য সংশোধনের জন্য করা প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার আবেদন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের এনআইডি অনুবিভাগের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।
ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, বর্তমানে এনআইডি সার্ভারে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার সংশোধনী আবেদন ‘পেন্ডিং’ বা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব আবেদন কীভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়, সে বিষয়টি নিয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত এনআইডি অনুবিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি এনআইডি সেবা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ও সভায় পর্যালোচনা করা হয়।
এ বিষয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত ১২ লাখের বেশি এনআইডি সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, সংসদ নির্বাচনের কারণে কিছু সময়ের জন্য এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম স্থগিত ছিল। সে সময় পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার আবেদন পেন্ডিং ছিল। পরবর্তী কয়েক মাসে নতুন আবেদন জমা পড়ায় বর্তমানে পেন্ডিং আবেদনের সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজারে পৌঁছেছে।
হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘এসব আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কাজ চলছে। আবেদনকারীদের এ জন্য নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আসার প্রয়োজন নেই। পর্যায়ক্রমে অনলাইনে জমা দেওয়া সব আবেদনই যাচাই-বাছাই শেষে নিষ্পত্তি করা হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (১১ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের এনআইডি অনুবিভাগের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।
ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, বর্তমানে এনআইডি সার্ভারে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার সংশোধনী আবেদন ‘পেন্ডিং’ বা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব আবেদন কীভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়, সে বিষয়টি নিয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত এনআইডি অনুবিভাগের মাসিক সমন্বয় সভায় আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি এনআইডি সেবা সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ও সভায় পর্যালোচনা করা হয়।
এ বিষয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত ১২ লাখের বেশি এনআইডি সংশোধন আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, সংসদ নির্বাচনের কারণে কিছু সময়ের জন্য এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম স্থগিত ছিল। সে সময় পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার আবেদন পেন্ডিং ছিল। পরবর্তী কয়েক মাসে নতুন আবেদন জমা পড়ায় বর্তমানে পেন্ডিং আবেদনের সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজারে পৌঁছেছে।
হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘এসব আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কাজ চলছে। আবেদনকারীদের এ জন্য নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে আসার প্রয়োজন নেই। পর্যায়ক্রমে অনলাইনে জমা দেওয়া সব আবেদনই যাচাই-বাছাই শেষে নিষ্পত্তি করা হবে।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে