প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে বিমানবন্দরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচারে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন নির্দিষ্ট কয়েকজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ চারজন কর্মকর্তাই এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন বিদায় ও স্বাগত জানানোর আনুষ্ঠানিক প্রটোকলে অংশ নেবেন। এ পরিবর্তনের মাধ্যমে পূর্ববর্তী বিস্তৃত প্রটোকল ব্যবস্থা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এর আগে প্রচলিত প্রটোকল অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা ও দেশে প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত থাকতেন। এছাড়া সামরিক ও অসামরিক বাহিনীর প্রধানগণ- যেমন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত থাকতেন।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিদায়ী ও স্বাগত অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। এতে করে বিমানবন্দরে একটি বড় সরকারি প্রতিনিধি দল উপস্থিত থাকত।
তবে নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে এ প্রটোকল সীমিত করা হয়েছে। এখন থেকে নির্ধারিত চারজন কর্মকর্তাই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন বিদায় ও অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। নতুন এ রাষ্ট্রাচার অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা সংক্ষিপ্ত ও সীমিত আকারে পরিচালিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি ও রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন নির্দিষ্ট কয়েকজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ চারজন কর্মকর্তাই এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন বিদায় ও স্বাগত জানানোর আনুষ্ঠানিক প্রটোকলে অংশ নেবেন। এ পরিবর্তনের মাধ্যমে পূর্ববর্তী বিস্তৃত প্রটোকল ব্যবস্থা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
এর আগে প্রচলিত প্রটোকল অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা ও দেশে প্রত্যাবর্তনের সময় বিমানবন্দরে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত থাকতেন। এছাড়া সামরিক ও অসামরিক বাহিনীর প্রধানগণ- যেমন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রধানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত থাকতেন।
পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিদায়ী ও স্বাগত অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। এতে করে বিমানবন্দরে একটি বড় সরকারি প্রতিনিধি দল উপস্থিত থাকত।
তবে নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে এ প্রটোকল সীমিত করা হয়েছে। এখন থেকে নির্ধারিত চারজন কর্মকর্তাই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন বিদায় ও অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে এ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। নতুন এ রাষ্ট্রাচার অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা সংক্ষিপ্ত ও সীমিত আকারে পরিচালিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে