সরকারের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা করা। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, আমরা কেবল তাদের সেবক। আগের সরকারের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রাষ্ট্রব্যবস্থা শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
বুধবার (০৪ মার্চ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করে সরকার পরিচালনা করতে হবে। নির্বাহী বিভাগকে দলীয়করণ বা অপব্যবহার থেকে বিরত রেখে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি সরকারের রয়েছে।
সরকার কাজ শুরু করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতিমধ্যে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
ঈদের আগেই এ কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ইউনিটগুলোকে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের আহবান জানান তিনি।
কৃষক কার্ড কর্মসূচির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষিযন্ত্র, কৃষি ঋণসহ বিভিন্ন সেবা সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। যাতে মধ্যস্বত্বভোগী ও দুর্নীতির সুযোগ না থাকে। কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদ মূলে মওকুফের সিদ্ধান্তও ইতিমধ্যে বাস্তবায়নের পথে রয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য ভাতা প্রদান কর্মসূচিও চালু হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রেও কার্ডভিত্তিক স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।
বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় গণযোগাযোগ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং চট্টগ্রাম জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে মন্ত্রী চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। কাজেই জনগণকে ক্ষমতায়িত করতে আমরা সেবকই থাকতে চাই।
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উন্নয়নের জন্যই চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নামফলক স্থাপন করেছিলেন, কিন্তু দীর্ঘদিন সেটি গোপন করে রাখা হয়েছিল। আবার সে নামফলক পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে প্রেস ক্লাবকে এগিয়ে নিতে হবে।
প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে আবু সুফিয়ান এমপি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি হাসান হাফিজ, বিএফইউজে’র মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সাংবাদিক মো. শাহনেওয়াজ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, মিয়া মোহাম্মদ আরিফ প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (০৪ মার্চ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করে সরকার পরিচালনা করতে হবে। নির্বাহী বিভাগকে দলীয়করণ বা অপব্যবহার থেকে বিরত রেখে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও শক্তিশালী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি সরকারের রয়েছে।
সরকার কাজ শুরু করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার ইতিমধ্যে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।
ঈদের আগেই এ কার্যক্রমের দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ইউনিটগুলোকে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের আহবান জানান তিনি।
কৃষক কার্ড কর্মসূচির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষিযন্ত্র, কৃষি ঋণসহ বিভিন্ন সেবা সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে। যাতে মধ্যস্বত্বভোগী ও দুর্নীতির সুযোগ না থাকে। কৃষি ঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদ মূলে মওকুফের সিদ্ধান্তও ইতিমধ্যে বাস্তবায়নের পথে রয়েছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য ভাতা প্রদান কর্মসূচিও চালু হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রেও কার্ডভিত্তিক স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।
বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় গণযোগাযোগ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং চট্টগ্রাম জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে মন্ত্রী চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, রাষ্ট্রের সেবক হিসেবে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। কাজেই জনগণকে ক্ষমতায়িত করতে আমরা সেবকই থাকতে চাই।
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান উন্নয়নের জন্যই চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নামফলক স্থাপন করেছিলেন, কিন্তু দীর্ঘদিন সেটি গোপন করে রাখা হয়েছিল। আবার সে নামফলক পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে প্রেস ক্লাবকে এগিয়ে নিতে হবে।
প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে আবু সুফিয়ান এমপি, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি হাসান হাফিজ, বিএফইউজে’র মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, সাংবাদিক মো. শাহনেওয়াজ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, মিয়া মোহাম্মদ আরিফ প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে