জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি অধিবেশনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে নজিরবিহীন বাগযুদ্ধ হয়েছে। মার্কিন পৃষ্ঠপোষকতায় ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়। সেই সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই অধিবেশন ডাকা হয়েছিলো। পাল্টাপাল্টি যুক্তি আর সরাসরি হুঁশিয়ারিতে সেখানে এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
অধিবেশনে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই উসকানিমূলক এবং পূর্বপরিকল্পিত আগ্রাসনে প্রথম দিনেই শত শত ইরানি বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। তিনি এই হামলাকে সরাসরি যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি পক্ষ জেনেশুনে বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।
পাল্টা বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ ইরানের এই দাবি নাকচ করে দেন। তিনি সাফ জানান, ইরানের কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের স্বার্থকে সরাসরি বিপন্ন করছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেওয়া এই পদক্ষেপ জাতিসংঘের সনদের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে মার্কিন যুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ইরানি রাষ্ট্রদূত পুনরায় কথা বলার সুযোগ চান। তিনি মার্কিন প্রতিনিধিকে শিষ্টাচার বজায় রাখার পরামর্শ দিয়ে সতর্ক করে বলেন, আপনার এবং আপনার প্রতিনিধিত্ব করা দেশের জন্য এটাই ভালো হবে।
বার্তা সংস্থা এপি এই মুখোমুখি বিতর্ককে বিরল এবং অত্যন্ত সংঘাতপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদের এই সরাসরি আক্রমণাত্মক অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে একটি ব্যাপক আঞ্চলিক যুদ্ধের শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র: এপি
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
অধিবেশনে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই উসকানিমূলক এবং পূর্বপরিকল্পিত আগ্রাসনে প্রথম দিনেই শত শত ইরানি বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। তিনি এই হামলাকে সরাসরি যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, মার্কিন ও ইসরায়েলি পক্ষ জেনেশুনে বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।
পাল্টা বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ ইরানের এই দাবি নাকচ করে দেন। তিনি সাফ জানান, ইরানের কর্মকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্রদের স্বার্থকে সরাসরি বিপন্ন করছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেওয়া এই পদক্ষেপ জাতিসংঘের সনদের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তবে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে মার্কিন যুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ইরানি রাষ্ট্রদূত পুনরায় কথা বলার সুযোগ চান। তিনি মার্কিন প্রতিনিধিকে শিষ্টাচার বজায় রাখার পরামর্শ দিয়ে সতর্ক করে বলেন, আপনার এবং আপনার প্রতিনিধিত্ব করা দেশের জন্য এটাই ভালো হবে।
বার্তা সংস্থা এপি এই মুখোমুখি বিতর্ককে বিরল এবং অত্যন্ত সংঘাতপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদের এই সরাসরি আক্রমণাত্মক অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যে একটি ব্যাপক আঞ্চলিক যুদ্ধের শঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র: এপি
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে