প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর তিন প্রধান।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
বৈঠককালে তিন বাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীর সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা নিজ নিজ বাহিনীর চলমান কার্যক্রম, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রীও তাদের খোঁজখবর নেন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে সরকারের অব্যাহত দিকনির্দেশনা ও সমর্থনের কথা জানান।
এছাড়া এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালকের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন তিনি।
বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী যোগ দেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়।
এদিকে দুপুরে তারেক রহমান আবারও বসবেন আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়। সেখানে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
বৈঠককালে তিন বাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীর সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা নিজ নিজ বাহিনীর চলমান কার্যক্রম, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রীও তাদের খোঁজখবর নেন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নয়নে সরকারের অব্যাহত দিকনির্দেশনা ও সমর্থনের কথা জানান।
এছাড়া এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালকের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন তিনি।
বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী যোগ দেন ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করার লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্তকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়।
এদিকে দুপুরে তারেক রহমান আবারও বসবেন আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায়। সেখানে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার কথা রয়েছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে