একসঙ্গে ধরা পড়ল ছুরি-ইলিশসহ ১৩০ মণ মাছ!

আপলোড সময় : ১৫-০২-২০২৬ ১২:১৯:১৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৫-০২-২০২৬ ১২:১৯:১৬ অপরাহ্ন
কক্সবাজারের টেকনাফে একটি টানা জালে একসঙ্গে ধরা পড়েছে ১৩০ মণ সামুদ্রিক মাছ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের গোদারবিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিপুল পরিমাণ মাছ দেখতে সৈকতে ভিড় করেন স্থানীয় উৎসুক জনতা।

জালের মালিক রফিক আলম মুন্না জানান, সকাল ৮টার দিকে সৈকত থেকে ৩০ জন জেলে টানা জাল নিয়ে নৌকায় করে সাগরে যান। দুপুর ১টার দিকে জাল টানলে ঝাঁকে ঝাঁকে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। পরে অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়ে মাছগুলো সৈকতের বালিয়াড়িতে তোলা হয় এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে মোট ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। ধরা পড়া মাছের মধ্যে ছিল পোয়া, ছোট ও বড় ফাইস্যা, মলা, ছুরি, বাটা, রূপচাঁদা ও ইলিশসহ নানা প্রজাতির মাছ।

স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ বলেন, ছোট মাছের কেজি প্রতি দাম পড়েছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। মাছগুলো বরফ দিয়ে ড্রামে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বেশির ভাগ পোয়া ও ছুরি মাছ কেনা হয়েছে, যা পরে রোদে শুকিয়ে শুঁটকি করা হবে। তিনি জানান, আড়াই কেজি কাঁচা ছুরি মাছ শুকিয়ে এক কেজির বেশি শুঁটকি পাওয়া যায়। প্রতি কেজি শুঁটকি ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি হবে। অন্য মাছগুলো কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পাঠানো হবে। টেকনাফ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা উমুল ফারা বেগম তাজকিরা বলেন, শীত মৌসুমে ছোট মাছের প্রজনন বেশি হয়। প্রজনন ও ডিম ছাড়ার সময় সাগরে ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলায় সাগরে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :