ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনে তাকে পরাজিত করতে বিএনপি তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিল।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, আমাকে শুধু আমার আসনের প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গেই লড়তে হয়নি। বিএনপি এখানে সর্বশক্তি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নেমেছিল। তারা বিষয়টি এমনভাবে নিয়েছিল যে, দলের চেয়ে ব্যক্তির ইমেজ ভালো হতে পারে না। আমি রুমিন হয়েছি বিএনপি করতাম বলে; তারা বলেছিল যেভাবেই হোক রুমিনকে হারাতে হবে।
নিজের প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, আমার এই নির্বাচনের প্রস্তুতি মাত্র ২০-২৫ দিনের নয়। ৫ আগস্টের পর থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচ দিন এলাকায় থাকতাম। এই জয় আমার নয়, বরং আমার ভোটারদের। যারা আমাকে ভোট দেননি এবং আমাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছেন— বিশেষ করে বিএনপির পদধারী নেতারা, আমি তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ তারা যদি এতটা কদর্য আচরণ না করতেন, তবে আমি হয়তো এত বড় ব্যবধানে জিততাম না। মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে তাঁদের অন্যায় ও অবিচারের জবাব দিয়ে দিয়েছে।
বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপির আন্দোলন ছিল মানুষের ভোটের অধিকার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য, যে আন্দোলনে আমিও শরিক ছিলাম। কিন্তু গত ১৮ মাসে আমরা দেখেছি কীভাবে মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায়, জুলুম, জমি ও ব্যবসা দখল এবং চাঁদাবাজি করা যায়। আমি তো নিশ্চয়ই সেসবের সঙ্গী হব না।
তিনি আরও বলেন, আমার রাজনীতি আমার, আর দলের রাজনীতি দলের। আমি আশা করব ২০০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তারা যে ভুলগুলো করেছে, তার পুনরাবৃত্তি আর হবে না। গত দেড় বছর তারা মানুষকে নানাভাবে বিরক্ত করেছে, আমি চাইব তার অবসান ঘটুক।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল রুমিন ফারহানাকে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, আমাকে শুধু আমার আসনের প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গেই লড়তে হয়নি। বিএনপি এখানে সর্বশক্তি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে নেমেছিল। তারা বিষয়টি এমনভাবে নিয়েছিল যে, দলের চেয়ে ব্যক্তির ইমেজ ভালো হতে পারে না। আমি রুমিন হয়েছি বিএনপি করতাম বলে; তারা বলেছিল যেভাবেই হোক রুমিনকে হারাতে হবে।
নিজের প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, আমার এই নির্বাচনের প্রস্তুতি মাত্র ২০-২৫ দিনের নয়। ৫ আগস্টের পর থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে অন্তত চার-পাঁচ দিন এলাকায় থাকতাম। এই জয় আমার নয়, বরং আমার ভোটারদের। যারা আমাকে ভোট দেননি এবং আমাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেছেন— বিশেষ করে বিএনপির পদধারী নেতারা, আমি তাদের কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ তারা যদি এতটা কদর্য আচরণ না করতেন, তবে আমি হয়তো এত বড় ব্যবধানে জিততাম না। মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে তাঁদের অন্যায় ও অবিচারের জবাব দিয়ে দিয়েছে।
বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করে রুমিন ফারহানা বলেন, বিএনপির আন্দোলন ছিল মানুষের ভোটের অধিকার ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য, যে আন্দোলনে আমিও শরিক ছিলাম। কিন্তু গত ১৮ মাসে আমরা দেখেছি কীভাবে মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায়, জুলুম, জমি ও ব্যবসা দখল এবং চাঁদাবাজি করা যায়। আমি তো নিশ্চয়ই সেসবের সঙ্গী হব না।
তিনি আরও বলেন, আমার রাজনীতি আমার, আর দলের রাজনীতি দলের। আমি আশা করব ২০০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত তারা যে ভুলগুলো করেছে, তার পুনরাবৃত্তি আর হবে না। গত দেড় বছর তারা মানুষকে নানাভাবে বিরক্ত করেছে, আমি চাইব তার অবসান ঘটুক।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল রুমিন ফারহানাকে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে