প্রচারণার নির্ধারিত স্থানে নেই হাবিব। সময় গড়িয়ে যাচ্ছে, কর্মী–সমর্থকদের ভিড় জমছে, কিন্তু কোথাও দেখা যাচ্ছে না ঢাকা–৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবকে। সঙ্গে থাকা প্রটোকল ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ। ফোনে ফোন, খোঁজাখুঁজি—“কোথায় গেলেন হাবিব?” কিছুক্ষণ পর জানা যায়, রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে তিনি রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীতে অবস্থিত একটি অটিজম কেয়ার ফাউন্ডেশনে অবস্থান করছিলেন। নির্বাচনী গণসংযোগের অংশ হিসেবে সেখানে গিয়ে তিনি অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সঙ্গে সময় কাটান। কোনো সভামঞ্চ বা মাইকের সামনে নয়—শিশুদের পাশে বসে গান শোনা, গল্প করা আর খেলাধুলায় মেতে ওঠেন তিনি।
প্রচারণার কোলাহল ছেড়ে হঠাৎ এমন জায়গায় উপস্থিতি অনেককেই বিস্মিত করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির অংশ ছিল না। সময় বের করেই শিশুদের কাছে ছুটে যান হাবিব। এখানেই যেন স্পষ্ট হয়—রাজনীতির বাইরে এক ভিন্ন মানুষকে দেখছে ঢাকা–৯। এর আগেও এলাকায় একাধিক মানবিক উদ্যোগে দেখা গেছে তাঁকে। মাঠে নেমে কিশোরদের সঙ্গে খেলাধুলা, সাধারণ মানুষের বাড়িতে গিয়ে শিশুদের হাতে চকলেট তুলে দেওয়া—এমন ছোট ছোট কাজই মানুষের মনে জায়গা করে নিচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। অটিজম কেয়ার ফাউন্ডেশনে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পর অনুভূতির কথা জানাতে গিয়ে হাবিব বলেন,
“বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা সমাজের বোঝা নয়, তারা আমাদেরই সন্তান। তাদের পাশে দাঁড়ানো কোনো করুণা নয়, এটা আমাদের দায়িত্ব। রাজনীতির বাইরে একজন মানুষ হিসেবে আমি শুধু একটু সময় দিতে চেয়েছি।” তিনি আরও বলেন,“এই শিশুরা যখন হাসে, গান শোনে, খেলাধুলা করে—তখন বোঝা যায়, ওদের আসলে ভালোবাসা আর সময়ই সবচেয়ে বেশি দরকার। সমাজ হিসেবে আমাদের সবারই উচিত এই শিশুদের আপন করে নেওয়া।” কেয়ার সেন্টারের একজন শিক্ষক বলেন,“এই শিশুরা সহজে কাউকে আপন করে না। কিন্তু আজ তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর পাশে বসেছে—এটাই আমাদের কাছে বড় কথা।”
একজন স্থানীয় ভোটার জানান,“তিনি শুধু ভোট চাইতে আসেন না। আমাদের সন্তানদের সময় দেন, কথা শোনেন। এই বিষয়টাই মানুষ মনে রাখে।” বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ভাষা আলাদা হলেও অনুভূতির প্রকাশ এক—ভালোবাসা পেলে তার প্রতিফলনও স্পষ্ট। নির্বাচনী রাজনীতির ব্যস্ততা ও হিসাবের বাইরে দাঁড়িয়ে হাবিবের এসব নীরব মানবিক কাজ অনেক ভোটারের মন ছুঁয়েছে। এই কারণেই এখন অনেকের কণ্ঠে একটাই কথা— হাবিব শুধু একজন প্রার্থী নন, রাজনীতির বাইরে এক ভিন্ন মানুষ।
বাংলাস্কুপ/নিরব/এনআইএন
প্রচারণার কোলাহল ছেড়ে হঠাৎ এমন জায়গায় উপস্থিতি অনেককেই বিস্মিত করেছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এটি কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির অংশ ছিল না। সময় বের করেই শিশুদের কাছে ছুটে যান হাবিব। এখানেই যেন স্পষ্ট হয়—রাজনীতির বাইরে এক ভিন্ন মানুষকে দেখছে ঢাকা–৯। এর আগেও এলাকায় একাধিক মানবিক উদ্যোগে দেখা গেছে তাঁকে। মাঠে নেমে কিশোরদের সঙ্গে খেলাধুলা, সাধারণ মানুষের বাড়িতে গিয়ে শিশুদের হাতে চকলেট তুলে দেওয়া—এমন ছোট ছোট কাজই মানুষের মনে জায়গা করে নিচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। অটিজম কেয়ার ফাউন্ডেশনে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পর অনুভূতির কথা জানাতে গিয়ে হাবিব বলেন,
“বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা সমাজের বোঝা নয়, তারা আমাদেরই সন্তান। তাদের পাশে দাঁড়ানো কোনো করুণা নয়, এটা আমাদের দায়িত্ব। রাজনীতির বাইরে একজন মানুষ হিসেবে আমি শুধু একটু সময় দিতে চেয়েছি।” তিনি আরও বলেন,“এই শিশুরা যখন হাসে, গান শোনে, খেলাধুলা করে—তখন বোঝা যায়, ওদের আসলে ভালোবাসা আর সময়ই সবচেয়ে বেশি দরকার। সমাজ হিসেবে আমাদের সবারই উচিত এই শিশুদের আপন করে নেওয়া।” কেয়ার সেন্টারের একজন শিক্ষক বলেন,“এই শিশুরা সহজে কাউকে আপন করে না। কিন্তু আজ তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর পাশে বসেছে—এটাই আমাদের কাছে বড় কথা।”
একজন স্থানীয় ভোটার জানান,“তিনি শুধু ভোট চাইতে আসেন না। আমাদের সন্তানদের সময় দেন, কথা শোনেন। এই বিষয়টাই মানুষ মনে রাখে।” বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের ভাষা আলাদা হলেও অনুভূতির প্রকাশ এক—ভালোবাসা পেলে তার প্রতিফলনও স্পষ্ট। নির্বাচনী রাজনীতির ব্যস্ততা ও হিসাবের বাইরে দাঁড়িয়ে হাবিবের এসব নীরব মানবিক কাজ অনেক ভোটারের মন ছুঁয়েছে। এই কারণেই এখন অনেকের কণ্ঠে একটাই কথা— হাবিব শুধু একজন প্রার্থী নন, রাজনীতির বাইরে এক ভিন্ন মানুষ।
বাংলাস্কুপ/নিরব/এনআইএন