সরকারি খরচে কৃচ্ছ্রসাধনের কড়াকড়ি চলছে চার বছর ধরে। আর্থিক সংকটের কারণে সরকারি দফতরে নতুন গাড়ি কেনা বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু সে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই নির্বাচনের আগে ৯ জেলার এসিল্যান্ডের গাড়ির জন্য ১১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
আর্থিক সংকটে গত ৪ বছর ধরে সরকারি দফতরে নতুন গাড়ি কেনা বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর বিধিনিষেধের ফাঁকফোকরে আমলারা বায়নার পসরা সাজালেও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে তেমন সাড়া মেলেনি। এরমধ্যেই নির্বাচনের মাসখানেক আগে সরকারি দফতরে গাড়ি কেনার মূল্যসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।
এদিকে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে ভোটের মাঠ চষে বেড়াতে কর্মকর্তাদের জন্য নতুন গাড়ি কেনার কথা জানায় ভূমি মন্ত্রণালয়। অবশেষে ভোটের কয়েকদিন আগে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই নতুন গাড়ি কেনার অনুমোদন দিলো অর্থ মন্ত্রণালয়।
আপাতত ৯ জেলার সহকারী কমিশনারদের (এসিল্যান্ড) দেয়া হচ্ছে কেবিন পিকআপ। প্রতিটি গাড়ির দাম ধরা হয়েছে ৮৬ লাখ টাকা। যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এসে গুণতে হবে বাড়তি ১১ কোটি ১৮ লাখ টাকা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
আর্থিক সংকটে গত ৪ বছর ধরে সরকারি দফতরে নতুন গাড়ি কেনা বন্ধ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর বিধিনিষেধের ফাঁকফোকরে আমলারা বায়নার পসরা সাজালেও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে তেমন সাড়া মেলেনি। এরমধ্যেই নির্বাচনের মাসখানেক আগে সরকারি দফতরে গাড়ি কেনার মূল্যসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।
এদিকে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে ভোটের মাঠ চষে বেড়াতে কর্মকর্তাদের জন্য নতুন গাড়ি কেনার কথা জানায় ভূমি মন্ত্রণালয়। অবশেষে ভোটের কয়েকদিন আগে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই নতুন গাড়ি কেনার অনুমোদন দিলো অর্থ মন্ত্রণালয়।
আপাতত ৯ জেলার সহকারী কমিশনারদের (এসিল্যান্ড) দেয়া হচ্ছে কেবিন পিকআপ। প্রতিটি গাড়ির দাম ধরা হয়েছে ৮৬ লাখ টাকা। যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে এসে গুণতে হবে বাড়তি ১১ কোটি ১৮ লাখ টাকা।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে